দ্রুত হাই প্রেসার কমানোর উপায় সমূহ

বিদেশী ফুলের ছবি । বিভিন্ন ফুলের ছবি

প্রেসার হাই হয়ে যাওয়া এখন খুব কমন একটা জিনিস। আমাদের মধ্যে কম বেশি সবার হাই প্রেসার রয়েছে। হঠাৎ করেই আমাদের প্রেসার হাই হয়ে যায়। এর ফলে আমরা দুশ্চিন্তাই পরে যায় এর সমাধান নিয়ে। দ্রুত হাই প্রেসার কমানোর উপায়, হঠাৎ হাই প্রেসার হলে করনীয়, প্রেসার হাই হলে কি খাবার খেতে হবে এই সব বিষয় নিয়ে আমাদের আজকের এই পোস্ট।

পর্যায় সারণি কিভাবে মনে রাখবো, পর্যায় সারণি মনে রাখার কৌশল pdf

সহজ উপায়ে অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম

বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রছাত্রীদের জন্য পর্যায় সারণি মনে রাখা অনেক জরুরি একটা কাজ। ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন উপায় খুজতে থাকে কিভাবে পর্যায় সারণি মুখস্থ করতে হয়। আপনিও যদি একজন ছাত্র বা ছাত্রী হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই পর্যায় সারণি মুখস্থ করার চেষ্টা করতেছেন। কিন্তু কোন ভাবেই পর্যায় সারণি মুখস্থ করা সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো পর্যায় সারণি মনে রাখার সহজ কৌশল। আমাদের শেয়ার করা কৌশল ব্যবহার করে আপনি খুব সহজে পর্যায় সারণি মুখস্থ করতে পারবেন। মাত্র ১০ মিনিট সময় নিয়ে পড়লে পর্যায় সারণি খুব সহজে মুখস্থ হয়ে যাবে।

পর্যায় সারণি কিভাবে মনে রাখবো, পর্যায় সারণি মনে রাখার কৌশল pdf

বিজ্ঞান বিভাগের রসায়ন সাবজেক্ট বুঝতে হলে আপনাকে অবশ্যই পর্যায় সারণি মুখস্থ করতে হবে। সকল প্রকার মৌলের নাম মুখস্থ করা ও মৌলের বিভিন্ন তথ্য যেমন, মৌলের ভর, মৌলের ইলেক্ট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা, মৌলের জারণ সংখ্যা ইত্যাদি সম্পর্কে আমাদের জানতে হয়। এই সব ধরনের তথ্য আমরা শুধু পর্যায় সারণির মাধ্যমে শিখতে পারবো। 

পর্যায় সারণিতে ১১৮ টি মৌল রয়েছে। যা মুখস্থ করা আমাদের জন্য অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে পরে। পর্যায় সারণিতে সব মৌল মুখস্থ করা সম্ভব হয় না। এই মৌলের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন গ্রুপ, ব্লক, প্রতীক, পারমাণবিক সংখ্যা যা আমাদের মূখস্থ করার প্রয়োজন হয়ে থাকে। পর্যায় সারণি ভালোভাবে মুখস্থ করতে পারলে আমাদের সব ধরনের মৌলের গ্রুপ, ব্লক, প্রতীক, পারমাণবিক সংখ্যা মুখস্থ হয়ে যাবে। আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনাদের মাঝে পর্যায় সারণি কিভাবে মুখস্থ করতে হয় ও পর্যায় সারণি মুখস্থ করার সহজ পদ্ধতি আলোচনা করবো। আমাদের আর্রটিকেল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে পড়লে আপনি খুব সহজে পর্যায় সারণি মুখস্থ করতে পারবেন।

খুব সহজে আপনি পর্যায় সারণি মুখস্থ করতে পারবেন। আমাদের দেখিয়ে দেওয়া নিয়ম গুলো মেনে পড়লে আপনার খুব সহজে পর্যায় সারণি মুখস্থ হয়ে যাবে। তাহলে শুরু করা যাক পর্যায় সারণি কিভাবে মনে রাখবো ও পর্যায় সারণি মনে রাখার কৌশল সম্পর্কে। 

পর্যায় সারণি কাকে বলে?

এখন আমরা আলোচনা করব পর্যায় সারণি কাকে বলে। পর্যায় সারণী মুখস্ত করা আমাদের জন্য বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। কিভাবে পর্যায় সারণি মুখস্ত করতে হয় সে সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব। তবে আমরা এখন আলোচনা করব পর্যায় সারণি কাকে বলে। আমাদের অনেকেরই জানতে ইচ্ছে করে পর্যায় সারণি আসলে জিনিসটা কি এবং পর্যায় সারণী কাকে বলে। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক পর্যায় সারণি কাকে বলে। 

বিভিন্ন মৌলের ভৌত এবং রাসায়নিক ধর্মের মধ্যে মিল ও অমিল এবং এ সকল ধর্মের ক্রম পরিবর্তন দেখানোর জন্যমৌলগুলোকে কতগুলো আনুভূমিক শাড়ি উলম্ব কলামে সাজিয়ে যে তালিকা বা সারণী প্রস্তুত করা হয়েছে তাকে পর্যায় সারণী বলা হয়।

অন্যভাবে বললে পর্যায় সারণি হচ্ছে এমন একটি সারণি যেখানে মৌলগুলোকে ক্রম অনুসারে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। বর্তমানে আমরা যে পর্যায় সারণিটি দেখতে পাই সেটি হচ্ছে পর্যায় সারণির সবচেয়ে আধুনিক রূপ। তাই একে আধুনিক পর্যায় সারণি বলা হয়।

পর্যায় সারণি ছবি

পর্যায় সারণি কিভাবে মনে রাখবো, পর্যায় সারণি মনে রাখার কৌশল pdf

পর্যায় সারণি মনে রাখার কৌশল

আপনারা পর্যায় সারণি কিভাবে মুখস্থ করতে হয়ে সে বিষয়ে না জানার কারণে এটি মুখস্থ করা সম্ভব হয় না। আমরা শুধু একটার পর একটা পড়ে যায় কিন্তু সেগুলো কোনভাবে মুখস্থ রাখা সম্ভব হয় না। পর্যায় সারণি মুখস্থ করার নিয়ম হচ্ছে এটি কবিতার মত করে অর্থ্যাৎ ছন্দ মিলিয়ে পড়া। ছন্দ আকারে পর্যায় সারণির গ্রুপ ও মৌল গুলো পড়লে আমাদের খুব সহজে সেটি মুখস্থ হয়ে যায়। আমরা পর্যায় সারণি মুখস্থ করার জন্য কিছু ছন্দ নিচে উল্লেখ করে দিবো, সেগুলো ভালোভাবে পড়লে আপনি খুব সহজে পর্যায় সারণি গুলো মুখস্থ করতে পারবেন।

পর্যায় সারণিতে মোট ১৮ টি গ্রুপ ও ৭ টি সারি বা পর্যায় রয়েছে। প্রত্যেক গ্রুপের মধ্যে মৌল গুলো আলাদা আলাদা করে দেওয়া থাকে এবং এদের গ্রুপ গুলো ভিন্ন হয়ে থাকে। যেমন প্রথম গ্রুপে রয়েছে ক্ষার ধর্মী ও দ্বিতীয় গ্রুপে এর মৌলগুলো আবার মৃৎক্ষার ধাতু। গ্রুপ করে আমরা যদি পর্যায় সারণি গুলো ভালোভাবে ছন্দ মিলিয়ে পড়তে পারি তাহল পর্যায় সারণি খুব সহজে আমাদের মুখস্থ হয়ে যাবে। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে আপনি ছন্দ মিলিয়ে পর্যায় সারণি মুখস্থ করবেন।

পর্যায় সারণির গ্রুপের মৌলগুলো মনে রাখার কৌশল

পর্যায় সারণির গ্রুপের মৌলগুলো মনে রাখার কৌশল সম্পর্কে আমরা আলোচনা করবো। আপনাদের সুবিধার্থে আমরা প্রতিটা গ্রুপের জন্য আলাদা আলাদা করে ছন্দ দিবো যা আপনি ভালোভাবে পড়তে পারলে মৌলের নাম গুলো খুব সহজে মুখস্থ করতে পারবেন। Group 1A থেকে Group 8A পর্যন্ত দেওয়া থাকবে যা আপনি ছন্দ মিলিয়ে পড়তে পারবেন।

পর্যায় সারণি গ্রুপ 1A

পর্যায় সারণির প্রথম গ্রুপ 1A তে রয়েছে মোট ৭ টি মৌল। এই মৌল গুলো হলো ক্ষার ধর্মী অর্থাৎ এরা Alkail Metal। এই গ্রুপের মৌল গুলো পানির সাথে বিক্রিয়া হয়ে হাইড্রোজেন গ্যাস ও ক্ষার দ্রবণ তৈরি করে থাকে। এইবার দেখে নিন এই গ্রুপের মৌল গুলো কিভাবে মুখস্থ করতে হয় ছন্দ আকারে।

প্রতীক: H, Li, Na, K, Rb, Cs, Fr

পর্যায় সারণী মনে রাখার ছন্দ:

  • হে লি না কে রুবি সাজাবে ফ্রান্সে
  • হা লায় না কি রাবিতে কাশ ফেলেছে
  • হা লিনা কে রুবিনা ছেঁচে ফেলেছে

ছন্দ থেকে যেভাবে পর্যায় সারণি পড়বেন:

  • হে => H => Hydrogen => হাইড্রোজেন
  • লি => Li => Lithum => লিথিয়াম
  • না => Na => Sodium => সোডিয়াম
  • কে => K => Potassium => পটাশিয়াম
  • রুবি => Rb => Rubidium => রুবিডিয়াম
  • সাজাবে => Sc => Saesium => সিজিয়াম
  • ফ্রান্সে => Fr => Fransium => ফ্রান্সিয়াম

পর্যায় সারণি গ্রুপ 2A

গ্রুপ 2A তে রয়েছে মোট ৬ টি মৌল। এই মৌল গুলো হচ্ছে মৃৎ ক্ষার ধাতু। মৃৎ ধাতুগুলো অনেকটাই ক্ষার ধাতুর মতো কাজ করে। তাহলে চলুন পর্যায় সারণি গ্রুপ 2A কিভাবে ছন্দ মিলিয়ে পড়বেন দেখে নিন।

প্রতীক: Be, Mg, Ca, Sr, Ba, Ra

পর্যায় সারণী মনে রাখার ছন্দ:

  • বিধবা মায়ের ক্যাডার সন্তান বাদশাহ রহিম
  • বিরিয়ানি মোগলাই কাবাব সরিয়ে বাটিতে রাখ
  • বিধবা মহিলা কা সার বাসনে রাধে

ছন্দ থেকে যেভাবে পর্যায় সারণি পড়বেন:

  • বিধবা => Be => Beryllium => বেরিলিয়াম
  • মায়ের => Mg => Magnesium => ম্যাগনেসিয়াম
  • ক্যাডার => Ca => Calcium => ক্যালসিয়াম
  • সন্তান => Sr => Stronsium => স্ট্রানসিয়াম
  • বাদশাহ => Ba => Barium => বেরিয়াম
  • রহিম => Ra => Radium => রেডিয়াম

পর্যায় সারণী গ্রুপ 3A

পর্যায় সারণী গ্রুপ 3A তে হয়েছে মোট ৫ টি মৌল। দেখে নিন কিভাবে এই গ্রুপের মৌলগুলো মুখস্থ রাখতে হয়ে ছন্দের মাধ্যমে। 

প্রতীক: B, Al, Ga, In, Ti

পর্যায় সারণী মনে রাখার ছন্দ:

  • বরুন অল্পতেই গেল ইন্ডিয়া তে
  • বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ গেল ইন্ডিয়া ট্যুরে
  • বলে এলাম জাই য়েন তাইলে

ছন্দ থেকে যেভাবে পর্যায় সারণি পড়বেন:

  • বরুন => B => Born => বোরন
  • অল্পতেই => Al => Aluminium => অ্যালুমিনিয়াম
  • গেল => Ga => Gallium => গ্যালিয়াম
  •  ইন্ডিয়া => In => Indium => ইন্ডিয়াম
  • তে => Tl => Thallium => থেলিয়াম

পর্যায় সারণি গ্রুপ 4A

কারণে গ্রুপ 4A তে রয়েছে মোট ০৫ টি মৌল। এই মৌলগুলোর নাম ছন্দের মাধ্যমে মনে রাখার কৌশল চলুন জেনে নেই।

প্রতীক: C, Si, Ge, Sn, Pb

পর্যায় সারণী মনে রাখার ছন্দ:

  • কলিকাতা সিটিতে গেলে সোনা পাবে
  • কাদঁলে শার্ট গেন্জি স্যান্ডেল পাবে
  • ছি! সিলেট গেলেন? সমস্যায় পড়বেন

ছন্দ থেকে যেভাবে পর্যায় সারণি পড়বেন:

  • কলিকাতা => C => Carbon => কার্বন
  • সিটিতে => Si => Silicon => সিলিকন
  • গেলে => Ge => Germanium => জামিনিয়াম
  • সোনা => Sn => Tin => টিন
  • পাবে => Pb => Lead => লেড বা সিসা

পর্যায় সারণি গ্রুপ 5A

গ্রুপ 5A তে মোট মৌল রয়েছে ৫ টি। এই মৌলগুলোর নাম ছন্দের মাধ্যমে মনে রাখার কৌশল চলুন জেনে নেই। ছন্দের মাধ্যমে মিলিয়ে পড়তে পারলে আপনি খুব সহজে মুখস্থ করতে পারবেন। 

প্রতীক: N, P, A,s Sb, Bi

পর্যায় সারণী মনে রাখার ছন্দ:

  • নাই প্রিয়া আজ সবই বিরহের
  • না ফিজ আছে আন্টির বাসায়
  • নাই পারুল আছে সাবিনা বিয়ান

ছন্দ থেকে যেভাবে পর্যায় সারণি পড়বেন:

  • নাই => N => Nitrogen => নাইট্রোজেন
  • প্রিয়া => P => Phosphorus => ফসফরাস
  • আজ => As => A arsenic => আর্সেনিক
  • সবই => Sb => Antimony => এন্টিমনি
  • বিয়ান => Bi => Bismath, => বিসমাথ

পর্যায় সারণি গ্রুপ 6A

গ্রুপ 6A তে মোট মৌল রয়েছে ৫ টি। এই মৌলগুলোর নাম ছন্দের মাধ্যমে মনে রাখার কৌশল চলুন জেনে নেই। আপনাকে অবশ্যই আমাদের দেওয়া ছন্দগুলো মুখস্ত করতে হবে। মুখস্ত করার পর ছন্দ থেকে মিলিয়ে মৌল গুলোর নাম মুখস্ত করে ফেলবেন। 

প্রতীক: O, S, Se, Te, Po

পর্যায় সারণী মনে রাখার ছন্দ:

  • অফিস শেষে সেলিনা টেলিফোন পেল
  • ও এস এস-ই তে পড়ে
  • ওর ছোট ছেলেটা টেবিলে পড়ে

ছন্দ থেকে যেভাবে পর্যায় সারণি পড়বেন:

  • অফিস => O => Oxygen => অক্সিজেন
  • শেষে => S => Sulfur => সালফার
  • সেলিনা => Se => Selenium => সেলেনিয়াম
  • টেলিফোন => Te => Tellurium => টেলুরিয়াম
  • পেল => Po => Polonium => পোলেনিয়াম

পর্যায় সারণি গ্রুপ 7A

পর্যায় সারণী গ্রুপ 7A তে মোট মৌলের সংখ্যা ০৫ টি। এই গ্রুপের ৫ টি মৌলকে একত্রে হ্যালোজেন (halogen) বলা হয়ে থাকে। হ্যালোজেন শব্দের অর্থ হল লবণ গঠনকারী (salt maker)। এই মৌলগুলোর নাম ছন্দের মাধ্যমে মনে রাখার কৌশল চলুন জেনে নেই। পর্যায় সারণির এ গ্রুপটি অনেক ইম্পরট্যান্ট তাই এটি ভালো করে পড়ে নেবেন। 

প্রতীক: F, Cl, Br, I, At

পর্যায় সারণী মনে রাখার ছন্দ:

  • ফখরুলের ক্লোনটি বড়ই ইডি য়েট
  • ফেল করলেও আইজ বাড়িতে আসতাম
  • ফ্লোর কলনীর বাসায় আন্টি আছে

ছন্দ থেকে যেভাবে পর্যায় সারণি পড়বেন:

  • ফখরুলের => F => Florin => ফ্লোরিন
  • ক্লোনটি => Cl => Chlorine => ক্লোরিন
  • বড়ই => Br => Bromine => ব্রোমিন
  • ইডি => I => Iodine => আয়োডিন
  • য়েট => At => Astatine => অ্যাস্টেটাইন

পর্যায় সারণি গ্রুপ 8A

VIIIA বা ‘O’ গ্রুপকে বলা হয় নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা ইনার্ট গ্যাস বা noble gas, Rare gas, অভিজাত গ্যাস, বিরল গ্যাস। পর্যায় সারণির আটটি গ্রুপের মধ্যে এই সারণিটির সব শেষ। সব সারণির ছন্দ গুলো মিলিয়ে পড়ার পর ভালোভাবে মুখস্ত করে নেবেন। মুখস্ত করার পর মৌলগুলো মিলিয়ে পড়বেন। তাহলে আপনি খুব দ্রুত এই পর্যায় সারণির প্রত্যেকটি গ্রুপের মৌলের নাম মুখস্থ করতে পারবেন। 

প্রতীক: H, Ne, Ar, Kr, Xe, Rn

পর্যায় সারণী মনে রাখার ছন্দ:

  • হে না আর করিম যাবে রমনায়
  • হিলি নিলি আর কৃপা যাইবে রংপুর

ছন্দ থেকে যেভাবে পর্যায় সারণি পড়বেন:

  • হে => He => Helium => হিলিয়াম
  • না => Ne => Neon => নিয়ন
  • আর => Ar => Argon => আর্গন
  • করিম => Kr => Krypton => ক্রিপ্টন
  • যাবে => Xe => Xenon => জেনন
  • রমনায় => Rn => Radon => রাডন

অবস্থান্তর মৌলগুলো মনে রাখার কৌশল

পর্যায় সারণির মধ্যে গ্রুপ ৩ থেকে ১১ গ্রুপে অবস্থিত মৌলসমূহকে অবস্থান্তর মৌল => Transition Meta) হিসেবে পরিচিত। এই অবস্থান্তর মৌলগুলো রয়েছে নিজস্ব বর্ণ। এ মৌলগুলো ধাতব পদার্থ হিসেবে বেশি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আমরা পর্যায় সারণী গুলো যেভাবে মনে রাখার জন্য ছন্দ ব্যবহার করেছে ঠিক তেমনি এ অবস্থান্তর মৌলগুলো ছন্দ মিলিয়ে মুখস্ত করার চেষ্টা করবেন। 

অবস্থান্তর মৌল গ্রুপ 1B

প্রতীক: Cu, Ag, Au

মনে রাখার ছন্দ:

  • কোথায় ছিলো সোনা

ছন্দ থেকে যেভাবে পর্যায় সারণি পড়বেন:

  • কোথায় => Cu => Copper => কপার
  • ছিলো => Ag => Silver, => সিলভার
  • সোনা => Au => Gold => গোল্ড

অবস্থান্তর মৌল গ্রুপ 2B

প্রতীক: Zn, Cd, Hg, Cn

মনে রাখার ছন্দ:

  • জিৎও ক্যাডরিনা পেলো কলা

ছন্দ থেকে যেভাবে পর্যায় সারণি পড়বেন:

  • জিৎ => Zn => Zinc => জিংক
  • ক্যাডরিনা => Cd => Cadmium => ক্যাডমিয়াম
  • পেলো => Hg => Mercury => পারদ বা মার্কারি
  • কলা => Cn- Copernicium => কপারনিসিয়াম

অবস্থান্তর মৌল গ্রুপ 8B

প্রতীক: Fe, Co, Ni, Ru, Rh, Pd, Os, Ir, Pt, Hs, Mt, Ds

মনে রাখার ছন্দ: এই গ্রুপের মৌলগুলোর নাম মনে রাখার জন্য কোন ছন্দ নেই।

ছন্দ থেকে যেভাবে পর্যায় সারণি পড়বেন:

  • Fe => Iron => লোহা বা আয়রন
  • Co => Cobalt => কোবাল্ট
  • Ni => Nickel => নিকেল
  • Ru => Ruthenium => রুথেনিয়াম
  • Rh => Rhodium => রোডিয়াম
  • Pd => Palladium => প্যালাডিয়াম
  • Os => Osmium -অসমিয়াম
  • Ir => Eridium => ইরিডিয়াম
  • Pt => Platinum => প্লাটিনাম
  • Hs => Hassium => হ্যাসিয়াম
  • Mt => Metnerium => মিটনেরিয়াম
  • Ds => Damstadium => ডামস্টেডিয়াম

পর্যায় সারণির পর্যায়ের মৌলগুলো মনে রাখার কৌশল

আমরা এখন আলোচনা করব পর্যায় সারণির পর্যায়ের মূল গুলো কিভাবে মনে রাখবে। পর্যায় সারণির পর্যায়ের মৌলগুলো মুখস্ত করা আমাদের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এই পর্যায় সারণিতে রয়েছে মোট ০৭ টি সারণি। আমরা এতক্ষন যেভাবে ছন্দ মিলিয়ে অন্যান্য মৌলগুলো মুখস্থ করেছে ঠিক তেমনি পর্যায় সারণির পর্যায়ের ও মৌলগুলো আমরা ছন্দ মিলিয়ে পড়ার চেষ্টা করব। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক পর্যায় সারণির পর্যায়ের মূল্য গুলো মনে রাখার কৌশল সমূহ। 

পর্যায় সারণির পর্যায় ১

মৌলগুলোর প্রতীক: H, He

মনে রাখার কৌশল:

  • হ হি

উদাহরণ সহ মৌলের নাম:

  • হ => H => Hydrogen => হাইড্রোজেন
  • হি => He => Helium => হিলিয়াম

পর্যায় সারণির পর্যায় ২

মৌলগুলোর প্রতীক: Li, Be, B, C, N, O, F, Ne

মনে রাখার কৌশল:

  • লি বেন? বেনী চুড়ি? নিপস্টিক ও ফা নি

উদাহরণ সহ মৌলের নাম:

  • লি => Li => Lithium => লিথিয়াম
  • বেন => Be => Beryllium => বেরেলিয়াম
  • বেনী => B => Boron => বোরন
  • চুড়ি C => Carbon => কার্বন
  • নিপস্টিক => N => Nitrogen => নাইট্রোজেন
  • ও => O => Oxygen => অকিজেন
  • ফা => F => Fluorine => ফ্লোরিন
  • নি => Ne => Neon => নিয়ন

পর্যায় সারণির পর্যায় ৩

মৌলগুলোর প্রতীক: Na, Mg, Al, Si, P, S, Cl, Ar

মনে রাখার কৌশল:

  • না! মগা আলু ছিলতে পারে সব কিলি য়ার

উদাহরণ সহ মৌলের নাম:

  • না => Na => Sodium
  • মগা => Mg => Mangnesium
  • আলু => Al => Aluminium => অ্যালুমিনিয়াম
  • ছিলতে => Si => Silicon => সিলিকন
  • পারে => P => Phosphorus => ফসফরাস
  • সব => S => Sulphur => সালফার
  • কিলি => Cl => Chlorine => ক্লোরিন
  • য়ার => Ar => Argon => আর্গন

পর্যায় সারণির পর্যায় ৪

মৌলগুলোর প্রতীক: Sc, Ti, V, Cr, Mn, Fe, Co, Ni, Cu, Zn

মনে রাখার কৌশল:

  • শাহরুখ টাইটানিকে ভেসে কালো মনিষকে ফেলে কোয়েলকে নিয়ে কুয়াকাটা যাবে
  • স্কুল টি ভাঙায় চেয়ার ম্যান ফের কমিশন নিয়ে কাজে যাচ্ছেন

উদাহরণ সহ মৌলের নাম:

  • শাহরুখ => Sc => Scandium => স্ক্যানডিয়াম
  • টাইটানিকে Ti => Titanium => টিটেনিয়াম
  • ভেসে V => Vanadium => ভ্যানাডিয়াম
  • কালো => Cr => Chromium => ক্রোমিয়াম
  • মনিষকে => Mn => Manganese => ম্যাঙ্গানিজ
  • ফেলে => Fe => Iron => লোহা বা আয়রন
  • কোয়েলকে => Co => Cobalt => কোবাল্ট
  • নিয়ে => Ni => Nickel => নিকেল
  • কুয়াকাটা => Cu => Copper => কপার
  • যাবে => Zn => Zinc => জিংক

পর্যায় সারণির পর্যায় ৫

প্রতীক: Y, Zr, Nb, Mo, Tc, Ru, Rh, Pd, Ag, Cd

মনে রাখার কৌশল:

  • ইতি ও জেরিন নাইরোবিতে মোবাইল সহ রুথের রোড টি দিয়ে পালাবার আগে কাঁদছিল
  • ইওর জ্বর নামবে মন টাকে আরো রেস্ট-হতে দাও পারলে আগে কাঁদো

উদাহরণ সহ মৌলের নাম:

  • ইতি => Y => Yttrium => ইট্রিয়াম
  • জেরিন => Zr => Zirconium => জিরকোনিয়াম
  • নাইরোবিতে => Nb => Niobium => নিওবিয়াম
  • মোবাইল => Mo => Molybdenum => মলিবডেনাম
  • টি => Tc => Technitium => টেকনেসিয়াম
  • রুথের => Ru => Ruthenium => রুথেনিয়াম
  • রোড => Rh => Rhodium => রোডিয়াম
  • পালাবার => Pd => Palladium => প্যালাডিয়াম
  • আগে => Ag => Silver => সিলভার
  • কাঁদছিল => Cd => Cadmium => ক্যাডমিয়াম

পর্যায় সারণির পর্যায় ৬

প্রতীক: La, Hf, Ta, W, Re, Os, Ir, Pt, Au, AG, Hg

মনে রাখার কৌশল:

  • লাকি ও হানিফ টাইটানিকে করে ওয়াবিকে রেখে আবার ইউরোপে প্লাটিনাম ও গোল্ড পায়

উদাহরণ সহ মৌলের নাম:

  • লাকি => La => Lanthanum => ল্যানথানাইড সিরিজ
  • হানিফ => Hf => Hafnium => হাফনিয়াম
  • টাইটানিকে => Ta => Tantalum => ট্যান্টালুম
  • ওয়াবিকে => W => Tungsten => টাংস্টেন
  • রেখে => Re => Rhenium => রেনিয়াম
  • আবার => Os => Osmium => অসমিয়াম
  • ইউরোপে => Ir => Eridium => ইরিডিয়াম
  • প্লাটিনাম => Pt => Platinum => প্লাটিনাম
  • গোল্ড => Au => Gold => গোল্ড
  • পায় => Hg => Mercury => পারদ বা মাকারি

পর্যায় সারণির পর্যায় ৭

প্রতীক: Ac, Rf, Db, Sg, Bh, Hs, Mt, Ds, Rg, Cn

মনে রাখার কৌশল:

  • আখির ছেলে রাফি ডুবাই সাগরে বাহিরে ভেসে হাফেজ আর মতিকে দেশে রেগে চিনেছে

উদাহরণ সহ মৌলের নাম:

  • আখির => Ac => Actinium => অ্যাকটিনাইড সিরিজ 
  • রাফি => Rf => Rutherfordium => রাদারফোর্ডিয়াম
  • ডুবাই => Db => Dubnium => ডুবনিয়াম
  • সাগরের => Sg => Seoborgium( সিওবোগিয়াম
  • বাহিরে -Bh => Bohrium => বোহরিয়াম
  • হাফেজ => Hs => Hassium => হ্যাসিয়াম 
  • মতিকে => Mt => Metnerium => মিটনেরিয়াম
  • দেশে => Ds => Damstadium => ডামস্টেডিয়াম
  • রেগে => Rg => Roentgenium => রন্টজেনিয়াম
  • চিনেছে => Cn => Copemicium => কপারনিসিয়াম

ল্যান্থানাইড ও অ্যাক্টিনাইড সিরিজের মৌলগুলো মনে রাখার কৌশল

ল্যান্থানাইড ও অ্যাক্টিনাইড সিরিজের মৌলগুলো পর্যায় সারণির পর্যায় ও পর্যায় ৭ এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। আগের সারণির মত করে এইগুলোও ছন্দ আকারে পড়ে মুখস্থ করতে হবে। ছন্দের মাধ্যমে পড়লে পড়া গুলো আমাদের খুব তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়ে যাবে। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক ল্যান্থানাইড ও অ্যাক্টিনাইড সিরিজের মৌলগুলো মনে রাখার কৌশল সমূহ 

ল্যান্থানাইড মৌল গুলো মনে রাখার কৌশল

প্রতীক সমূহ: Ce, Pr, Nd, Pm, Sm, Eu, Gd, Tb, Dy, Ho, Er, Tm, Yb, Lu

মনে রাখার কৌশল: ছেলের প্রীতি এন্ড প্রেম সমান ইউরোপ গুড তবে ডাইরিয়া হয় এর টমেটো ইয়লো ব্লু

অ্যাক্টিনাইড মৌল গুলো মনে রাখার কৌশল

প্রতীক সমূহ: Th, Pa, U, Np, Pu, Am, Cm, Bk, Cf, Es, Fm, Md, No, Lr

মনে রাখার কৌশল: থাকলে পাশে ইউ এনপি পুঁথি আমার কমেনা বিকেলে ক্যাফেতে এসে এফ এম মোডে নুডলস লাড়ি

পর্যায় সারণির সব মৌল ছন্দের সাহায্যে মনা রাখার কৌশল আপনাদের মাঝে শেয়ার করা হয়েছে আশা করি আপনাদের বেশ উপকারে আসবে।

 রায়হান আইটির শেষ কথা

আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনাদের মাঝে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি পর্যায় সারণি মনে রাখার কৌশল সম্পর্কে। আমরা দেখিয়েছি কিভাবে ছন্দের সাথে মিলিয়ে পর্যায় সারণি মুখস্থ করতে হয়। যাদের পর্যায় সারণি মুখস্থ করতে সমস্যা হয় তারা আমাদের দেওয়া ছন্দের মাধ্যমে খুব সহজে মুখস্থ করতে পারবেন।

অনলাইনে কাবিন নামা চেক করার নিয়ম জেনে নিন

বাংলাদেশে বিভিন্ন ব্যান্ডের থাই গ্লাসের দাম কত

কাবিন নামা সম্পর্কে আমরা সবাই অবগত আছি৷ এইখানে যারা অনলাইনে কাবিন নামা চেক করার নিয়ম সম্পর্কে জানতে এসেছেন তারা কাবিন নামা সম্পর্কে জানার কথা। যারা কাবিন নামা অনলাইনে চেক করার নিয়ম জানতে এসেছে তাদের সবাইকে জানাচ্ছি স্বাগতম। আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা আলোচনা করবো কাবিন নামা কি, কাবিন নামা অনলাইন চেক করতে কি কি প্রয়োজন, কাবিন নামা অনলাইন চেক করার প্রয়োজনীয়তা, কাবিন নামা অনলাইন চেক সম্পর্কে। আমাদের সাথেই থাকুন।

অনলাইনে কাবিন নামা চেক করার নিয়ম জেনে নিন

কাবিন নামা কেনো প্রয়োজন? এমন প্রশ্ন সবার মনে আসতে পারে। দেখুন আপনি যদি বিবাহিত হয়ে থাকেন তাহলে আপনার কাজে আপনার বিবাহের কাবিন নামা প্রয়োজন হয়ে থাকে। বর্তমানে বিবাহের কাবিন নামা অনলাইন এর মাধ্যমে হয়ে থাকে। হাতে লেখা কাবিন নামা এখন তেমন একটা কাজে লাগে না। বিবাহের সময় আমাদের কাবিন নামা অনলাইন এর মাধ্যমে হয়ে থাকে এর ফলে আমরা সহজে আমাদের কাবিন নামা অনলাইনে খুজে পাই খুব সহজে।

তাহলে চলুন আমাদের আজকের এই আর্টিকেল শুরু করা যাক।

কাবিন নামা কি

সহজ ভাষায় বলতে গেলে কাবিন নামা হলো মুসলিমদের বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন এর একটি ডকুমেন্টস যেখানে স্বামীর নাম, স্ত্রীর নাম, ঠিকানা, দেনমোহর সহ ইত্যাদি উল্লেখ থাকে তাকে বুঝাই। আরো সহজ ভাষায় বলতে গেলে যে কাগজে মুসলিম বিবাহের নিবন্ধন করা হয়ে থাকে তাকে কাবিন নামা বলে। কাবিন নামার মাধ্যমে বিবাহ সম্পুর্ন হলে যেমম সামাজিক ভাবে সে বিয়ে স্বীকৃতি পায় ঠিক তেমনি রাষ্ট্রীয় ভাবেও এই বিয়ে স্বীকৃতি পেয়ে থাকে। মুসলিম বিবাহে রেজিষ্ট্রেশন করে অর্থাৎ কাবিন নামা করে বিয়ে করতে হয় না হলে সে বিয়ে আল্লাহর দরবারেও কবুল হয় না।

কাবিন নামা অনলাইন চেক করতে কি কি প্রয়োজন

আমরা এখন জানার চেষ্টা করব কাবিননামা অনলাইনে চেক করার জন্য আমাদের কি কি প্রয়োজন হয়ে থাকে। শুরুতেই বলে রাখি কাবিননামা অনলাইনে চেক করতে আমাদের তেমন কোন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রয়োজন হয় না। দুটি জিনিস যদি আমাদের কাছে থাকে তাহলে আমরা খুব সহজে অনলাইন থেকে কাবিননামা চেক করতে পারব। কাবিননামা কি সেটা ইতিমধ্যে আপনারা জেনেছেন। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক কাবিননামা অনলাইনে চেক করতে কি কি প্রয়োজন হয়। 

অনলাইনে কাবিননামা চেক করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে বিবাহ রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ও বিবাহ রেজিস্ট্রেশন তারিখ। কাবিননামা হওয়ার পরে আপনাকে একটি রেজিস্ট্রেশন নাম্বার দেয়া হবে যেটি সংগ্রহ করে রাখতে হবে। সে নাম্বার এবং আপনার কত তারিখে বিয়ের রেজিস্ট্রেশন হয়েছে সে তার একটি আপনার প্রয়োজন হবে। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন কাবিন নাম অনলাইনে চেক করতে আমাদের কি কি প্রয়োজন হতে পারে। 

কাবিন নামা অনলাইন চেক করা প্রয়োজন কেনো

কাবিন নামা আমাদের বিভিন্ন কাজে প্রয়োজন হয়ে থাকে। সব থেক্র গুরুত্বপূর্ণ কারণ হচ্ছে কাবিননামাটি আসল নাকি নকল সেটা যাচাই করার জন্য আমাদের অনলাইনে কাবিননামা চেক করার প্রয়োজন হয়ে থাকে। কাবিননামা যেকেউ চাইলে নকল করতে পারে। কারণ এটি একটি সমসাময়িক কাগজপত্র। নকল থেকে এড়াতে এবং কাবিননামার সত্যতা যাচাই করার জন্য আমাদের অনলাইনে কাবিননামা চেক করতে হয়। আশা করি কাবিন নামা অনলাইনে চেক করা প্রয়োজন কেনো সেটা বুঝতে পেরেছেন।

কাবিন নামা অনলাইন চেক

বর্তমান যুগ অনলাইনের যুগ। অনলাইন ইন্টারনেট ব্যবহার করে আমরা খুব সহজে নিজেদের কাজ গুলো সম্পাদনা করতে পারি। তবে এই ইন্টারনেটের যুগের কাবিন নামা অনলাইন চেক করার নির্ধারিত কোন উপায় নেয়। এটি সাধারণ মানুষদের জন্য উম্মুক্ত না অর্থ্যাৎ এটি আমরা নিজেরা ব্যবহার করতে পারবো না। আমাদের সবার জন্য উম্মুক্ত না হলেও আমরা চেক করতে পারবো। কিভাবে কাবিন নামা অনলাইন্র চেক করতে হয় সে বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করছি।

আমরা ইতিমধ্যেই জেনেছি যে কাবিন নামা অনলাইন চেক করা সবার জন্য উম্মুক্ত নয়। এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে তাহলে কে বা কারা এইটি ব্যবহার করতে পারবে। আপনার বিবাহের কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর আপনার বিয়ের রেজিষ্ট্রেশন এর একটি কপি আপনাকে দেওয়া হবে। সে রেজিষ্ট্রেশন কপির মধ্যে একটি ইউনিক আইডি থাকবে যা আপনাকে সংগ্রহ করতে হবে। আপনার রেজিষ্ট্রেশন কপিটি নিয়ে কোন কাজী বা কাজী অফিসে যোগাযোগ করতে হব্র। তারা আপনাকে আপনার কাবিন নামা চেক করে দিবে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন কিভাবে কাবিন নামা চেক করতে হয়।

কাবিন নামার মত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস নকল হওয়ার সম্ভাবনা সব থেকে বেশি থাকে। কাজী অফিসে কাবিন নামা চেক করে আসা এটি একটি ঝামেলার কাজ। সরকারে উচিৎ কাবিন নামা অনলাইনে চেক করা সবার কন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া। আমরা অনলাইনে যে কাজ টা ঘরে বসে সমাধান করতে পারি তার জন্য যদি আমাদের এতো ঝামেলা করতে হয় তাহলে সেটা অনেক বিরক্তিকর হয়ে যায়। 

বর্তমানে বাংলাদেশে জন্ম নিবন্ধন, ভোটার আইডি কার্ড, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স সহ ইত্যাদি ডকুমেন্টস অনলাইনে চেক করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু কাবিন নামার মতো এতো বড় একটি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস অনলাইনে চেক করার কোন উপায় এখনো উন্মুক্ত করা হয়নি। তাই সরকারে উচিৎ এটি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া।

আমরা ইতিমধ্যেই আলোচনা করেছি কাবিননামা সবার জন্য উন্মুক্ত নয় অর্থ্যাৎ যে কেউ চাইলেও অনলাইনে চেক করত্র পারবে না। তাই আপনাদের কাবিন নামা অনলাইনে চেক করার জন্য আপনার নিকটস্থ কোন কাজী বা কাজী অফিসে যোগাযোগ করবেন। যেখানে আপনার বিবাহের রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার দেওয়ার পর তারা আপনার কাবিন নামা চেক করে দিবে। আশা করি আপনারা সম্পূর্ণ বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। 

রায়হান আইটির শেষ কথা

কাবিননামা সম্পর্কে আমরা বেশ কিছু আলোচনা করেছি। কাবিননামা একজন স্বামী ও স্ত্রীর জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস। আমাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে কাবিননামা প্রয়োজন হয়ে থাকে। আমরা ইতিমধ্যে আপনাদের জানিয়েছি অনলাইন থেকে আপনি কাবিননামা চেক করতে পারবেন না। কারণ কাবিননামা অনলাইনে চেক করা সবার জন্য উন্মুক্ত নয়। আপনারা অনলাইনে বিভিন্ন জায়গায় খুঁজে দেখেছেন কিভাবে কাবিননামা অনলাইনে চেক করতে হয়। আমাদের কাজ আপনাদের সঠিক তথ্য প্রদান করে সহায়তা করা। আপনি যদি অনলাইনে কাবিননামা করতে চান তাহলে আপনি কি আপনার নিকটস্থ কোন কাজী অফিস বা কাজীর নিকট যোগাযোগ করতে হবে। এরকম সঠিক তথ্য পাওয়ার জন্য আমাদের রায়হান আইটি সাইটে প্রতিদিন আসার জন্য অনুরোধ রইল।

সহজ উপায়ে অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম

এনআইডি একাউন্ট লক হলে করণীয়

বর্তমানে ই-পাসপোর্ট অনলাইনে চেক করার নিয়ম সবাই খুজে থাকেন। আমাদের ই-পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করার পর সেটি অনলাইনে চেক করতে হয়। অনেকে আমরা জানিনা অনলাইনে কিভাবে ই-পাসপোর্ট চেক করতে হয়। আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনাদের মাঝে তুলে ধরবো সহজ উপায়ে অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম।

সহজ উপায়ে অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম

ই-পাসপোর্ট কিভাবে অনলাইনে চেক করবেন এই বিষয়ে জানতে হলে আমাদের আজকের এই লেখাটি সম্পূর্ণ ভালোভাবে দেখতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে সব কিছু অনলাইন এর মাধ্যমে সম্পাদনা করা হয়ে থাকে৷ সেগুলো আমাদের বিভিন্ন সময় অনলাইন এর মাধ্যমে চেক করতে হয়। তাহলে চলুন শুরু করা যাক আমাদের আজকের এই পোস্ট।

আপনার যদি একটি ই-পাসপোর্ট থাকে বা আপনি নতুন করে ই-পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করেছেন তাহলে সেটি আপনাকে অনলাইনে চেক করার প্রয়োজন হয়ে থাকে। আমরা অনেকেই জানি না কিভাবে অনলাইন এর মাধ্যমে ই-পাসপোর্ট চেক করতে হয়। কিভাবে অনলাইনে থাকা ই-পাসপোর্ট চেক করবেন এবং অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করতে আপনাদের কি কি প্রয়োজন হবে সব বিষয়ে আমাদের আজকের এই পোস্টে আলোচনা করা হবে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখুন তাহলে আপনি খুব সহজে অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করতে পারবেন।

ই-পাসপোর্ট চেক

বর্তমানে সব কিছুর মধ্যে রয়েছে ভেজাল। সব কিছু ঠিকঠাক আছে কিনা সেটা যাচাই করার জন্য আমাদের অনলাইনে পাসপোর্ট চেক করতে হয়। আপনি যদি দেশের বাহিরে কাজ করে থাকেন অর্থ্যাৎ আপনি যদি একজন প্রবাসী হয়ে থাকেন তাহলে আপনার এই বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিৎ। প্রয়োজন অনুসারে আমাদের অনলাইনে পাসপোর্ট চেক করতে হয়। অথবা যারা দেশের বাহিরে ঘুরতে যাবেন তাদের অনলাইনে পাসপোর্ট চেক করার প্রয়োজন হয়ে থাকে। 

আপনি যদি আপনার ই-পাসপোর্ট অনলাইনে চেক করতে চান তাহলে আপনার উচিৎ অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করা। অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করা আমাদের জন্য অনেক সহজ হয়ে যায়। অনলাইন এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজে ই-পাসপোর্ট চেক করতে পারবেন।

আপনি যদি অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করতে চান তাহলে আপনার প্রয়োজন হবে Online Registration ID অথবা Application ID। বাংলাদেশ পাসপোর্ট অফিসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে খুব সহজে চেক করতে পারবেন। ঘরে বসে অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করতে পারবেন। পাসপোর্ট অফিসে বার বার হয়রানির শিকার হতে হবে না আপনাকে।

অনলাইনে যদি আপনার পাসপোর্ট থাকে তাহলে আপনি আঞ্চলিক অফিস থেকে আপনার ই-পাসপোর্ট বা পাসপোর্টটি সংগ্রহ করতে পারবেন। তাহলে আসুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে অনলাইনে পাসপোর্ট চেক করতে হয়।

ই-পাসপোর্ট চেক করতে কি কি লাগে

আমরা অনেকেই জানি না অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করার জন্য আমাদের কি কি প্রয়োজন হয়। আমরা এখন আলোচনা করবো অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করতে আমাদের কি কি লাগবে। ই-পাসপোর্ট চেক করার জন্য যেগুলো প্রয়োজন হবে সব আপনার পাসপোর্ট আবেদন করার সময় পেয়ে যাবেন। আপনার কাছে থাকা বিভিন্ন ডকুমেন্টস এর মধ্যে থাকবে। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক ই-পাসপোর্ট চেক করতে কি কি লাগে।

অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে Online Registration ID অথবা Application ID যা আপনি পাসপোর্ট আবেদন করার সময় পেয়ে যাবেন। আপনি যখন অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করতে যাবেন তখন আপনার Online Registration ID অথবা Application ID প্রয়োজন হবে। এমনকি আপনি যদি এসএমএস এর মাধ্যমে পাসপোর্ট চেক করেন সেক্ষেত্রেও আপনার Online Registration ID অথবা Application ID প্রয়োজন হবে।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন অনলাইনে ইই-পাসপোর্ট চেক করার সময় আমাদের কি কি প্রয়োজন হতে পারে।

ই-পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম

এখন আমরা দেখবো কিভাবে আপনি অনলাইন থেকে আপনার পাসপোর্ট চেক করবেন। কিভাবে অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করবেন সেটা ধাপে ধাপে দেওয়া আছে। ভালোভাবে দেখে তারপর অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করবেন। তাহপে চলুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করা যায়।

  • প্রথমে এই লিংকে ক্লিক করতে হবে https://www.epassport.gov.bd/authorization/application-status
  • এরপর আপনার কাছে থাকা Online Registration ID অথবা Application ID লিখতে হবে।
  • এরপর আপনার পাসপোর্টে থাকা জন্মতারিখটি [DD-MM-YYYY] এইখানে টাইপ করতে হবে। 
  • সব কিছু ঠিক থাকলে I Am Human ক্যাপচা পূরণ করতে হবে।
  • শেষ ধাপে আপনাকে Check বাটনে ক্লিক করে আপনার পাসপোর্ট চেক করতে পারবেন।

উপরে দেওয়া নিয়ম অনুসারে আপনি খুব সহজে অনলাইন থেকে পাসপোর্ট চেক করতে পারবেন। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন কিভাবে অনলাইন থেকে ই-পাসপোর্ট চেক করতে হয়।

এসএমএস এর মাধ্যমে ই-পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম

এতোক্ষন আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম। অনলাইনে পাসপোর্ট চেক করার নিয়মে আপনাদের মাঝে তুলে ধরেছি কিভাবে আপনি অনলাইনে পাসপোর্ট চেক করবেন। এখন আমরা আলোচনা করবো কিভাবে আপনি এসএমএস এর মাধ্যমে আপনার পাসপোর্ট চেক করবেন। আপনি খুব সহজে আপনার হাতে থাকা যেকোন সিম ব্যবহার করে আপনার পাসপোর্টের অবস্থা চেক করতে পারবেন। 

SMS দিয়ে পাসপোর্ট চেকে বা এসএমএস এর মাধ্যমে আপনার পাসপোর্ট এর অবস্থা জানার জন্য আপনাকে প্রথমে আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশনে যেতে হবে। মেসেজ অপশনে টাইপ করতে হবে START <space> EPP <space> Application-ID এরপর পাঠাতে হবে 16445 নাম্বারে। ফিরতি মেসেজে আপনার পাসপোর্ট এর অবস্থা জানিয়ে দিবে। 

আশা করি SMS এর মাধ্যমে ই-পাসপোর্ট চেক করতে হয়ে কিভাবে সেটি বুঝতে পেরেছেন। আপনি যদি অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করতে না পারেন তাহলে এসএমএস এর মাধ্যমে আপনার পাসপোর্ট এর অবস্থা খুব সহজে জানতে পারবেন।

রায়হান আইটির শেষ কথা

প্রিয় রায়হান আইটির পাঠকবৃন্দ আশা করি আমাদের আজকের এই আর্টিকেল আপনাদের বেশ উপকারে আসবে। অনলাইনে ই-পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হয়েছে। অনলাইনে পাসপোর্ট চেক করতে কি কি লাগে সে সম্পর্কে বলা হয়েছে। আপনার যদি একটা পাসপোর্ট থাকে বা নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করেছেন তাহলে আমাদের দেওয়া নিয়ম মেনে অনলাইন থেকে ই-পাসপোর্ট চেক করতে পারবেন।

বাংলাদেশে পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

22 ক্যারেট স্বর্ণের দাম today

আমরা যারা দেশের বাহিরে কাজ বা ভ্রমনের জন্য যেতে চাই তখন আমাদের পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হয়। কারণ পাসপোর্ট ছাড়া আমরা অন কোন দেশে প্রবেশ করতে পারবো না। তাই আমাদের একতা পাসপোর্ট করা প্রয়োজন হয়ে থাকে। পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে বা বাংলাদেশে পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে সে সম্পর্কে আমরা অনেকেই  জানি না। তাই আমাদের আজকের এই পোস্টের বিষয় বাংলাদেশে পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে বা পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে এই বিষয়ে।
বাংলাদেশে পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে - পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

বাংলাদেশে পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে - পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

পাসপোর্ট করার সময় কি কি কাগজপত্রের প্রয়োজন হয় এই সম্পর্কে আমাদের  সঠিক ধারণা না থাকার ফলে আমাদের নানান ভাবে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। আমরা অনলাইনে সঠিক ভাবে পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করার পরেও জেলা বা উপজলা পর্যায়ে যখন পাসপোর্ট অফিসে কাগজ পত্র জমা দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে তখন নানাবিধ সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে জানবো পাসপোর্ট অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন হতে সর্বশেষ নির্দেশাবলীতে পাসপোর্ট করতে কী কী কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়। 

যেহেতু আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসগুলি সাধারণত জেলা শহর বা বিভাগীয় শহরে অবস্থিত, তাই পাসপোর্ট অফিসে ভ্রমণ সবার জন্য খুব সহজ নয়। এতে সময় এবং অর্থ উভয়ই খরচ হয়। এত কিছুর পরও পাসপোর্টের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না নিয়ে আবেদন শেষ না হলে এর চেয়ে কষ্টের আর কিছু নেই।  এখন আমরা বাংলাদেশে পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে বা পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে এই সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জানবো। 

ই পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৩

আমাদের পোস্টের এই অংশে আমরা জানবো ই-পাসপোর্ট বা পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে। আমরা অনলাইনে আবেদন করার পর আমাদের আঞ্চলিক অফিসে কাগজ পত্র জমা দিতে হয়। আঞ্চলিক পর্যায়ে কাগজপত্র জমা দেওয়ার সময় আমাদের বিভিন্ন ধরণের ঝামেলা বা সমস্যার মধ্যে পরতে হয়। এই ঝামেলা থেকে বাচার জন্য আমাদের আজকের এই আর্টিকেল। আমাদের আজকের পোস্টে যা যা থাকছেঃ- 

  • ই পাসপোর্ট করতে কি কি কাগজপত্র লাগে
  • বয়স ১৮ বা তার বেশি হলে পাসপোর্ট করতে যা যা লাগবে
  • ২০ বছরের কম যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র হয়নি
  • সরকারি চাকরিজীবীদের ই পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে
  • শিশুদের ই পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

তাহলে শুরু করা যাক আমাদের আজকেরে এই আর্টিকেল। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন তাহলে সম্পূর্ন বুঝতে পারবেন। 

ই পাসপোর্ট করতে কি কি কাগজপত্র লাগে

অনলাইনে ই-পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করার পর আমাদের কিছু ডকুমেন্ট জমা দেওয়ার প্রয়োজন হয়, যেগুলো না দিলে আমাদের পাসপোর্ট সম্পূর্ণ ভাবে করা যাবে না।  বয়স ১৮ কিংবা তার বেশি হয়ে থাকলে পাসপোর্ট করতে জাতীয় পরিচয় পত্র, নাগরিক সনদ, পেশাজীবী প্রমাণপত্র এবং ২০ বছরের কম বয়সী হয়ে থাকলে যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই তারা NID Card এর পরিবর্তে অনলাইন জন্ম সনদ প্রয়োজন হবে।

বয়স ১৮ বা তার বেশি হলে পাসপোর্ট করতে যা যা লাগবে

আমাদের আর্টিকেলের এই পর্যাইয়ে জানবো বয়স ১৮ বা তার বেশি হলে পাসপোর্ট করার জন্য যে যে কাগজ পত্র গুলো লাগবে। আমাদের অনেক কাজে পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হয়ে থাকে। কেও দেশের বাহিরে কাজের সন্ধানে যায় আবার কেও পড়ালেখা করার জন্য দেশের বাহিরে যায় আবার কেউ বিভিন্ন দেশ ঘুরতে পছন্দ করে, এইসব করার জন্য আমাদের পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হয়। বয়স ১৮ বা তার বেশি হলে পাসপোর্ট করতে যা যা লাগবে

  • জাতীয় পরিচয় পত্র এর ফটোকপি
  • বিলের কপি (বিদ্যুৎ অথবা গ্যাস বিল)
  • চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট
  • ই পাসপোর্ট আবেদনের সামারি
  • পাসপোর্ট আবেদনের ফরম
  • পাসপোর্ট ফি পরিশোধের চালান / ব্যাংক ড্রাফ কপি
  • নাগরিক সনদপত্র
  • পেশাগত সনদের ফটোকপি (যদি থাকে)

২০ বছরের কম যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র হয়নি

 আমাদের মধ্যে অনেকে আছে যাদের সমস্যার কারণে বা ইচ্ছাকৃত ভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র করা হয়নি। কিন্তু এখন আমাদের পাসপোর্ট করার ধরকার, কীভাবে করা উচিত, এই বিষয়ে আমরা কম বেশি চিন্তায় থাকি। আমাদের মনে প্রশ্ন আসে যে আমাদের তো জাতীইয় পরিচয় পত্র নাই তাহলে কি আমরা পাসপোর্ট করতে পারবো? অবশ্যই করতে পারবেন। ২০ বছরের কম যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র হয়নি তাদের যে যে কাগজ পত্র গুলো লাগবে সেগুলো হলোঃ-

  • অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ এর ফটোকপি
  • বিলের কপি (বিদ্যুৎ অথবা গ্যাস বিল)
  • চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট
  • ই পাসপোর্ট আবেদনের সামারি
  • পাসপোর্ট আবেদনের ফরম
  • পাসপোর্ট ফি পরিশোধের চালান / ব্যাংক ড্রাফ কপি
  • নাগরিক সনদপত্র
  • পেশা ছাত্র ছাত্রী হলে যেকোন স্কুল সার্টিফিকেট

সরকারি চাকরিজীবীদের পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে

 সরকারি চাকরিজীবীদের পাসপোর্ট করতে সাধারণ মানুষদের চাইতে বেশি কাগজ পত্রের প্রয়োজন হয়ে থাকে।

  • জাতীয় পরিচয় পত্র এর ফটোকপি
  •  NOC (No Objection Certificate)
  • GO (Government Order)  
  • বিলের কপি (বিদ্যুৎ অথবা গ্যাস বিল)
  • চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট
  • পাসপোর্ট আবেদনের সামারি
  • পাসপোর্ট আবেদনের ফরম
  • পাসপোর্ট ফি পরিশোধের চালান / ব্যাংক ড্রাফ কপি
  • নাগরিক সনদপত্র
  • পেশাগত সনদের ফটোকপি (যদি থাকে)

NOC (No Objection Certificate):  যদি কোনো সরকারি চাকরিজীবী নিজ প্রয়োজনে পাসপোর্ট করে থাকেন তাহলে তার স্ব স্ব বিভাগ, অধিদপ্তর বা মন্ত্রণালয় কাছ থেকে অনাপত্তিপত্র বা NOC (No Objection Certificate) সংগ্রহ করতে হয়, নতুবা পাসপোর্ট আবেদন করা যাবে না। 

GO (Government Order): আপনি যদি সরকারি কাজে দেশের বাহিরে যান তাহলে আপনাকে সরকারি আদেশ বা Government Order পাসপোর্ট করার সময় দাখিল করতে হবে।

শিশুদের ই পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে 

শিশুদের ই পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে তা নিচে দেওয়া হলোঃ- 

  • অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র
  • পিতা-মাতার আইডি কার্ডের ফটোকপি
  • পাসপোর্ট আবেদনের সামারি
  • পাসপোর্ট আবেদনের ফরম
  • চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট\
  • বিলের কপি (বিদ্যুৎ অথবা গ্যাস বিল)
  • পাসপোর্ট ফি পরিশোধের  চালান / ব্যাংক ড্রাফ কপি
  • 3R Size ছবি Lab Print, Gray Background

পাসপোর্ট আবেদনের সামারি

অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন করার পর Application Summary এবং Registration Form ডাউনলোড অথবা পিডিএফ আকারে দেখা যায়, যেটি ডাউনলোড করতে হয়। Application Summary এবং Registration Form ডাউনলোড করার পর সেটিকে প্রিন্ট করে নিতে হয় এবং পাসপোর্ট আবেদন করার সময় জমা দেওয়া লাগে।

পাসপোর্ট ফি প্রদানের চালান

 অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন করার পর আমাদের সরাকারি একটি নির্দিষ্ট পরিমানে টাকা জমা দিতে হয়। জমা দেওয়ার জন্য আমাদের বাংকের মাধ্যমে দেওয়া লাগবে। জমা দেওয়ার পর ব্যাংক কতৃক একটি চালান এর কাগজ দেওয়া হবে, যেটি আমাদের পাসপোর্ট আবেদন করার সময় জমা দেওয়া লাগবে। 

পাসপোর্ট সম্পর্কীত কিছু প্রশ্ন

পাসপোর্ট রি ইস্যু করতে কি কি লাগে?

বাংলাদেশে পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে বা পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে এই বিষয়ে বিস্তারিতে ভাবে আমরা এই আর্টিকেলে আলোচনা করেছি।

পাসপোর্ট সংশোধন করতে কি কি লাগে? 

  • আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র
  • জন্ম নিবন্ধন (আপনার বয়স যদি ২০ বছরের কম হয়ে থাকে)
  • শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট (যদি প্রয়োজন হয়)
  • লিখিত আবেদন পত্র জমা দিতে হবে
  • অঙ্গীকারনামা দিতে হবে
  • পুরাতন পাসপোর্ট ও পাসপোর্টের ফটো কপি।

জন্ম নিবন্ধন দিয়ে পাসপোর্ট করা যাবে ? 

হ্যাঁ পারবেন, আপনার ভোটার আইডি কার্ড না থাকলে জন্মনিবন্ধন নিয়ে পাসপোর্ট আবেদন করতে পারবেন। 

পাসপোর্ট রি ইস্যু করতে কি কি লাগে?

পাসপোর্ট রি ইস্যু করতে হলে আপনাকে পাসপোর্ট আবেদন এর সময় যা যা দিয়েছেন সব আবার দেওয়া লাগবে

আমাদের শেষ কথা

আমাদের আজকের এই আর্টিকেল টি কোন কাজে লাগলে আপনাদের বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে পারেন। হয়তো তার ও কোন কাজে লাগতে পারে। আশা করি আমাদের আজকের এই আর্টিকেল সম্পূর্ন পড়েছেন বিস্তারিত ভাবে। বাংলাদেশে পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে বা পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে এই বিষয়ে আর কিছু জানার থাকে তাহলে আমাদের কে বলতে পারেন। আমরা আপনাদের মাঝে তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

এনআইডি একাউন্ট লক হলে করণীয়, Nid Account Lock

এই মাত্র ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪

এনআইডি সংশোধন করতে বা রেজিষ্ট্রেশন করার সময় আমাদের এনআইডির একাউন্টটি লক হয়ে যেতে পারে। এনআইডি একাউন্ট লক হয়ে যাওয়া একটি সাধারণ ব্যপার। আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে জানবো কি কি কারনে এনআইডি একাউন্ট লক হয় এবং এনআইডি একাউন্ট লক হলে করণীয় কি। তাহলে শুরু করা যাক আজকের এই আর্টিকেল।

এনআইডি একাউন্ট লক হলে করণীয়, Nid Account Lock

আমাদের বিভিন্ন ধরনের সরকারি বা বেসরকারি সেবা পাওয়ার জন্য এনআইডি কার্ডের প্রয়োজন হয়ে থাকে। আমাদের অনাকাঙ্ক্ষিত ভূলের কারণে আমাদের এনআইডি একাউন্ট লক হয়ে যায়। এনআইডি একাউন্ট লক হলে করণীয় ও ঠিক কি কি কারণে একাউন্ট লক হতে পারে সে সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।

আজকের আর্টিকেলে থাকছে কি কি ভুল করলে NID Account Locked হয়ে যায়, একাউন্ট লক হলে করণীয় কি, কিভাবে একাউন্ট লক সমস্যার সমাধান করবেন সে নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। 

আপনি যখন এই ব্লগে এসেছেন মানেই আপনার এনআইডি একাউন্ট লক হয়ে গেছে। তার সমাধান পাওয়ার জন্য আমাদের আজকের এই আর্টিকেলে আপনার আসার মূল কারণ তাই শুরুতে বলেই রাখি, এনআইডি একাউন্ট লক হলে সমাধান কিভাবে করবেন সে সম্পর্কে আমাদের আজকের এই আর্টিকেল।

এনআইডি একাউন্ট লক হলে করণীয়

এনআইডি একাউন্ট লক হয়ে এখন একটা স্বাভাবিক বিষয়। আমাদের বিভিন্ন ভূলের কারণে এনআইডি একাউন্ট লক হয়ে যায়। এনআইডি একাউন্ট লক হওয়ার কয়েকটি কারণ আমরা পরবর্তীতে আলোচনা করবো। এখন আমরা জানার চেষ্টা করবো এনআইডি একাউন্ট লক হলে করনীয় কি সে সম্পর্কে। 

আমাদের এনআইডি একাউন্ট যদি কোন ভূলের কারণে লক হয়ে যায় তাহলে আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে এনআইডি হেল্পলাইন ১০৫ নম্বরে কল করে বিস্তারিত খুলে বলা। কাস্টমার কেয়ারকে আপনার এনআইডি একাউন্ট লক হওয়ার কারণ এবং সাথে আপনার এনআইডি নাম্বার ও জন্মতারিখ দিয়ে এনআইডি একাউন্ট লক হওয়ার বিষয়টি অবগত করতে হবে।

এনআইডি একাউন্ট লক হলে নিম্নোক্ত ০৩ (তিন) টি উপায় এর মাধ্যমে আপনার এনআইডি একাউন্ট আনলক করতে পারবেন।

  • ৭ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করা।
  • NID Help Center 105 (এনআইডি হেল্পলাইন নম্বর ১০৫) নম্বরে কলা করে তাদের সব বিষয় খুলে বলতে হবে।
  • আপনার নিকটস্থ উপজেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করা।

এনআইডি একাউন্ট লক হয়ে যাওয়া একটা স্বাভাবিক বিষয়। কোন কারণে লক হয়ে গেলে সেটা আবার নিজে নিজে আনলক হয়ে যায়। লক হওয়ার ৭ দিনের মধ্যে সাধারণ এনআইডি পূনরায় আনলক হয়ে যায়। তবে এই ৭ দিনের মধ্যে একবারও উচিৎ হবে নতুন করে একাউন্ট লগিন করার চেষ্টা করা। আপনার একাউন্ট যদি লক হয়ে যায় তাহলে ৭ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন এরপর ৮ দিন বা ১০ দিন পর পুনরায় লগিন করবেন। আশা করি ঠিক হয়ে যাবে।

আপনার যদি বেশি প্রয়োজন না হয় তাহলে ৭ দিন একাউন্ট লগিন করার চেষ্টা করবেন না। প্রয়োজনে ৮/১০ দিন পর আবার লগিন ফিয়ে চেক করবেন। তখন দেখবেন আপনার একাউন্টটি আবার সচল হয়ে গেছে। আপনার যদি এনআইডি একাউন্টটি অতিপ্রয়োজনীয় হয় তাহলে আপনার নিকটস্থ উপজেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন। তারা আপনার সমস্যা সমাধান করে দিবে। উপজেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করার পর আপনার বিস্তারিত ভাবে বলার পর তারা আপনার এনআইডি একাউন্ট পুনরায় চালু করে দিবে।

তবে সব দিক বিবেচনায় এনআইডি একাউন্ট লক হলে কমপক্ষে ৭ দিন অপেক্ষা করার পর পুনরায় আবার লগিন করার চেষ্টা করা।

NID Account Locked হওয়ার কারণ

আমরা এখন জানবো এনআইডি অ্যাকাউন্ট কেন লক হয়ে যায়। আমরা যারা এনআইডি কার্ড ব্যবহার করি তারা অনেক সময় অ্যাকাউন্ট লক হয়ে যাওয়ার সমস্যায় পড়ি। ইতিমধ্যে আমরা আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি এনআইডি একাউন্ট লক হয়ে গেলে কিভাবে তা ঠিক করা যায়। আমাদের আর্টিকেলের এই অংশে আমরা জানার চেষ্টা করব NID Account Locked হওয়ার কারণ। এনআইডি অ্যাকাউন্ট সাধারণত দুইটি কারণে লক হয়ে থাকে, সে দুটি কারো নিচে উল্লেখ করা হলো।

  • রেজিস্ট্রেশন করার সময় পরপর ৩ বার ভুল NID নম্বর, জন্ম তারিখ বা ভুল ঠিকানা দিলে।
  • একাউন্টে লগইনের সময় পর পর ৩ বার আইডি নম্বর বা পাসওয়ার্ড ভুল করলে।

মৃত ব্যক্তি কিংবা দ্বৈত ব্যক্তিদের একাউন্ট NID Database থেকেই লক করা থাকে। তাছাড়াও যারা মানসিক প্রতিবন্ধী তাদের এনআইডি অ্যাকাউন্ট গুলো আগে থেকে লক করা থাকে। মৃত ব্যক্তি ও মানসিক প্রতিবন্ধীদের অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করার সময় বারবার রিলোড নিবে।

মৃত ব্যক্তি ও মানসিক প্রতিবন্ধী ছাড়া সাধারণ মানুষদের অ্যাকাউন্ট লক হয়ে গেলে Red Warning হিসেবে দেখানো হবে, “Account Locked”। হ্যাকারদের হাত থেকে আমাদের ডাটা রক্ষা করার জন্য NID System সাময়িক সময়ের জন্য আমাদের একাউন্টটি লক হয়ে থাকে। আশা করি আপনারা এনআইডি অ্যাকাউন্ট লক হওয়ার কারণ সম্পর্কে বুঝতে পেরেছেন। এনআইডি অ্যাকাউন্ট লক হলে করণীয় এবং এনআইডি অ্যাকাউন্ট লক হলে কিভাবে পুনরায় ঠিক করবেন সেই সম্পর্কে আমরা ইতিমধ্যে আলোচনা করেছি। 

ভুল NID নাম্বার ও জন্ম তারিখের জন্য একাউন্ট লক

NID সার্ভারে এনআইডি নাম্বার দিয়ে একাউন্ট দেখার সময় আমাদের NID Account Locked হতে পারে। একাউন্ট লগিন করার সময় আপনি ভূল NID নাম্বার বা ভূল জন্মতারিখ টাইপ করে ট্রাই করলে সেক্ষেত্রে আইডি লক হয়ে যায়। একটানা তিন বার ভূল ইনফরমেশন দিলে আপনার এনআইডি একাউন্টটি লক হয়ে যাবে। প্রথমে একবার ভূল ইনফরমেশন দিয়ে লগিন করলে সেটা দ্বিতীয় বার পূনরায় সঠিক তথ্য দিয়ে চেষ্টা করবেন। দ্বিতীয়বারও যদি ভূল ইনফরমেশন চলে আসে তাহলে তৃতীয়বার চেষ্টা করার প্রয়োজন নেই। ভালোভাবে ইনফরমেশন দেখে কিছুক্ষণ পর আবার লগিন করবেন।

যদি আপনার ভুলবশত একাউন্ট লক হয়ে যায় তাহলে ৭ দিন অপেক্ষা করার পর পূনরায় আবার লগিন করবেন। সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে সঠিক এনআইডি নাম্বার ও জন্মতারিখ ভালোভাবে দেখে নিবেন। তারপর আবার লগিন এর জন্য চেষ্টা করবেন।

আপনাকে অবশ্যই সঠিক এনআইডি ইনফরমেশন দিতে হবে। আপনার এনআইডি নাম্বার ও জন্মতারিখ চেক করে সংগ্রহ করে রাখবেন। আপনার যদি ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে যায় বা ভোটার স্লিপ হারিয়ে যায় তাহলে ভূল ইনফরমেশন দিয়ে লগিন করার চেষ্টা করবেন না। আপনার কোন তথ্য হারিয়ে গেলে বা ভূল ইনফরমেশন এর কারণে একাউন্ট লক হয়ে গেলে আপনার নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করবেন।

ভুল ঠিকানার জন্য NID Account Locked

এনআইডি একাউন্ট তৈরি করার সময় আমাদের বিভাগ, জেলা ও উপজেলা সম্পর্কে তথ্য দিতে হয়। সাধারণত এনআইডি কার্ডের মধ্যে যে ঠিকানা উল্লেখ করা থাকে সে অনুযায়ী আমাদের টাইপ করতে হয়। আমরা যদি বারবার ভুল ঠিকানা দিয়ে থাকি তাহলে আমাদের এনআইডি একাউন্টটি লক হয়ে যাবে।

তাই আমাদের উচিত আমরা যখন এনআইডি একাউন্টে তৈরি করতে যাব তখন আমাদের জাতীয় পরিচয় পত্র থেকে আমাদের বিভাগ, জেলা, উপজেলা ভালোভাবে দেখে নেওয়া। আমরা ইতিমধ্যে আপনাদের বলেছি আপনি যখন ভুল কোন কিছু উল্লেখ করবেন দুইবার চেষ্টা করার পর তৃতীয়বার আর চেষ্টা করবেন না। তৃতীয়বারও যদি আমাদের ভুল আসে তাহলে আমাদের অ্যাকাউন্টটি লক হয়ে যায়। 

ভুল পাসওয়ার্ডের জন্য অ্যাকাউন্ট লক

এনআইডি অ্যাকাউন্ট করার সময় আমরা পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকি। আমরা যারা পাসওয়ার্ড দিয়ে অনেক সময় আমরা সে পাসওয়ার্ডটি ভুলে যাই। পরবর্তীতে আমরা যখন এনআইডি সার্ভারে লগইন করতে চাই তখন আমাদের পাসওয়ার্ড কি দিয়েছিলাম সেটা আর মনে থাকে না। পাসওয়ার্ড যদি ভুল টাইপ করে লগইন করার চেষ্টা করা হয় তাহলেও আমাদের এনআইডি অ্যাকাউন্ট লক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 

পাসওয়ার্ড মনে না থাকলে বা প্রথম চেষ্টায় পাসওয়ার্ড ভুল আসলে তাহলে আমরা দ্বিতীয়বার চেষ্টা না করে Password Reset বাটনে ক্লিক করে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নিব। এর ফলে আমাদের এনআইডি অ্যাকাউন্টটি লক হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। 

এনআইডি একাউন্ট নিরাপদ রাখার উপায়

NID Account নিরাপদ রাখার জন্য আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। আমাদের ভূলের কারণে আমাদের এনআইডি একাউন্ট লক হয়ে যেতে পারে। এনআইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্র আমাদের প্রয়োজনীয় একটি ডকুমেন্টস। আমাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজে আমরা এনআইডি কার্ড ব্যবহার করে থাকি। এনআইডি একাউন্ট নিরাপদ রাখার জন্য আমাদের কয়েকটি মাধ্যম অবলম্বন করতে হবে। 

এনআইডি একাউন্ট নিরাপদ রাখার জন্য বা এনআইডি একাউন্ট লক হয়ে যাওয়া থেকে বাঁচাতে একাউন্ট রেজিষ্ট্রেশন করার সময় একটি Strong Password সেট করুন। আপনার সে পাসওয়ার্ড এমন ভাবে রাখবেন যাতে পরবর্তীতে সেটি মনে রাখা যায়। NID Account Register করার সময় ভোটার আইডি নাম্বার বা ফরম নাম্বার ও আপনার জন্মতারিখ দিন। রেজিষ্ট্রেশন হয়ে গেলে লগিন করে চেক করুন সব কিছু ঠিক আছে কি না।

Password সেট করার সময় আমাদের একটা ইউজার নেম দেওয়ার প্রয়োজন হয়। ইউজার নাম এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে আপনি পরবর্তীতে আপনার একাউন্টে লগিন করতে পারবেন। অবশ্যই একটি স্ট্রং ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিবেন আপনার একাউন্টের নিরাপত্তার জন্য। আপনি যদি ইউজার নেম না দিয়ে পাসওয়ার্ড সেট করে ফেলেন তাহলে আপনার ভোটার আইডি কার্ড নাম্বার বা ফরম নাম্বার ইউজার হিসেবে দিয়ে লগিন করতে পারবেন। তবে User Name ও Password ব্যবহার করে একাউন্ট করা সব থেকে বেশি নিরাপদ। এর ফলে অন্য কোন ব্যক্তি আইডি নাম্বার দিয়ে লগিন করতে পারবে না।

রায়হান আইটির শেষ কথা 

জাতীয় পরিচয়পত্র আমাদের প্রয়োজনীয় একটি ডকুমেন্টস। যেটি ছাড়া আমাদের কোন কাজ করা সম্ভব হয় না। আমরা সামান্য কিছু ভূলের কারণে আমাদের এনআইডি একাউন্ট লক হয়ে যায়। আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনাদের মাঝে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি কিভাবে আপনার এনআইডি একাউন্ট লক হয়ে গেলে কি করবেন বা এনআইডি একাউন্ট লক হলে করনীয় কি সে সম্পর্কে। একটা কথা মাথায় রাখবেন এনআইডি একাউন্ট লক হলে তা ৭/৮ দিনের মধ্যে আবার ঠিক হয়ে যায়। কারো কাছে টাকা দিয়ে প্রতারিত হবেন না। আপনার এনআইডি একাউন্টের ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড কোথাও সংরক্ষণ করে রাখুন।