এই মাত্র ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪

অনলাইনে কাবিন নামা চেক করার নিয়ম জেনে নিন

যারা চাকরির জন্য চিন্তা করতেছেন তাদের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক একটি নিয়োগ করা হয়েছে। এটি তাদের ওয়েবসাইট www.minland.gov.bd এর মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। যারা ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪, Vumi Montronaloy Niyog Biggopti তে আবেদন করতে চাচ্ছেন তাদের জন্য আমাদের আজকের এই আর্টিকেল।

ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪, Vumi Montronaloy Niyog Biggopti

ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪ (Vumi Montronaloy Niyog Biggopti) প্রকাশ করা হয়েছে। যারা ভূমি মন্ত্রনালয়ে চাকরি করতে আগ্রহী তারা আবেদন করতে পারবেন। ভূমি মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট থেকে গত ০৫ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ভূমি মন্ত্রনালয়ের ১ টি পদে মোট ২৩৮ জন চাকরি প্রত্যাশি নারী-পুরুষ সুযোগ পাবে।

ভূমি মন্ত্রণালয় জব সার্কুলার অনুযায়ী নারী পুরুষ উভয় চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবে। ভূমি মন্ত্রনালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন শুরু হবে ০৮ অক্টোবর ২০২৪ তারিখ থেকে। আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রনালয়ে আবেদন যোগ্যতা, অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করার নিয়ম, নিয়োগ পরীক্ষা, পরীক্ষার তারিখ, ফলাফল এবং প্রবেশপত্র ডাউনলোড সম্পর্কিত বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হবে। তাহলে চলুন আজকের ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪, Vumi Montronaloy Niyog Biggopti পোস্ট শুরু করা যাক।

ভূমিকা - Vumi Montronaloy Niyog Biggopti 2024

আপনি এই পোস্টে ক্লিক করে এসেছেন তার অর্থ আপনি একজন চাকরি প্রত্যাশিত ব্যক্তি। ভূমি মন্ত্রনালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪ আবেদন দেখে এই পোস্টে আসা। আপনি একদম সঠিক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেছেন। আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনারা ভূমি মন্ত্রনালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে ধারণা পাবেন। ভূমি মন্ত্রণালয় আবেদন থেকে শুরু করে পরিক্ষার রেজাল্ট পর্যন্ত আমাদের এই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। আপনি যদি চাকরির জন্য আবেদন করার সঠিক নিয়ম জানতে চাচ্ছেন তাহলে আমাদের এই পোস্ট ভালোভাবে দেখতে হবে। আপনি যদি ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪ আবেদন করার জন্য যোগ্য ও আগ্রহী হয়ে থাকেন তাহলে আমাদের দেওয়া নিয়ম অনুসারে আবেদন করে ফেলুন। নিয়মিত জব রিলেটেড পোস্ট পেতে চাইলে আমাদের ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন।

ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪, Vumi Montronaloy Niyog Biggopti

  • প্রতিষ্ঠানের নাম: ভূমি মন্ত্রণালয়
  • নিয়োগ প্রকাশের তারিখ: ০৫ অক্টোবর ২০২৪
  • পদের সংখ্যা: ২৩৮ জন
  • বয়সসীমা: ১৮-৩০ বছর
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: ৮ম/এসএসসি/এইচএসসি/স্নাতক পাশ চাকরির ধরন: সরকারি
  • অফিসিয়াল ওয়েব সাইট: www.minland.gov.bd
  • আবেদনের শুরু তারিখ: ০৮ অক্টোবর ২০২৪
  • আবেদনের শেষ তারিখ: ০৮ নভেম্বর ২০২৪
  • আবেদনের মাধ্যম: অনলাইনে
  • নিয়োগ প্রকাশের সূত্র: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
  • আবেদনের ঠিকানা: http://minland.teletalk.com.bd

সরকারি চাকরি গুলোর মধ্যে ভূমি মন্ত্রনালয়ের বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার সাথে সাথে এইখানে আবেদন করার জন্য হিড়িক পরে যায়। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা বিভিন্ন যায়গায় চাকরির জন্য আবেদন করেও কোন আশানুরূপ সাফল্য না পাওয়ার কারণে হতাশ হয়ে গেছেন। তাদের জন্য ভূমি মন্ত্রনালয়ের চাকরির বিজ্ঞপ্তি আশার আলো হিসেবে ধরা দিয়েছে। আবেদন করার পর অনেক দিন পর্যন্ত সময় পাওয়া যায় পরিক্ষার জন্য। ভূমি মন্ত্রনালয়ের পরিক্ষা অন্যান্য পরিক্ষা গুলোর মতে হয়ে থাকে। পর্যাপ্ত সময় থাকলে ভালোভাবে পড়লে ভালো একটা ফলাফল আশা করা যায়। ভূমি মন্ত্রনালয়ে চাকরি করলে আপনার একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে। ভূমি মন্ত্রণালয় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে চাকরির বিজ্ঞপ্তি দিয়ে থাকে।

ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগ ২০২৪ সার্কুলার

বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি চাকরি নিয়োগ সার্কুলার আমরা আমাদের এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দিয়ে থাকি। আপনি যদি একজন চাকরি প্রত্যাশী ব্যক্তি হয়ে থাকেন তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটে প্রতিদিন ভিজিট করে দেখতে পারেন। আমরা চেষ্টা করি বাংলাদেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন ধরনের চাকরির আপডেট দিয়ে আপনাদের সাহায্য করার জন্য। চাকরির আবেদন করা থেকে শুরু করে ফরম ডাউনলোড করা পর্যন্ত আমরা আপনাদের দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকব। আমাদের নিয়ম অনুসারে যদি আপনি আবেদন করতে পারেন তাহলে আপনার কোন ধরনের ভুল হবেনা। আমরা আজকে যে আর্টিকেলটি লিখতেছি সেটার বিষয় হচ্ছে ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগ ২০২৪। আমরা এখন ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগ ২০২৪ এর সার্কুলার সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব। 

ভূমি মন্ত্রণালয়ের যে নিয়োগটি দেওয়া হয়েছে সেটি ২০১৫ সালের গ্রেট-১৪ অনুযায়ী বেতন দেয়া হবে। ইতিমধ্যে তারা নিয়োগের সার্কুলার দিয়ে ফেলেছে। ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগ সার্কুলার মধ্যে তারা তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পাবলিশ করেছে। সার্কুলার পাবলিশ হওয়ার পর সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যেই চাকরির আবেদন শুরু হয়ে যায়। ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ ২০২৪ এটিও ৯ তারিখ থেকে আবেদন শুরু হবে। আপনি যদি একজন যোগ্য ব্যক্তি হয়ে থাকেন এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মী হতে আগ্রহে থাকেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই তাদের ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে অনলাইনে (তাদের ওয়েবসাইটের নাম হলো http://minland.teletalk.com.bd)। 

  • পদের নাম: সার্ভেয়ার
  • পদ সংখ্যা: ২৩৮ টি।
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন সার্ভে ইনস্টিটিউট হইতে ০৪ (চার) বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং (সার্ভেয়িং) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।
  • মাসিক বেতন: (গ্রেড-১৪) ১০২০০-২৪৬৮০/- টাকা।

ভূমি মন্ত্রণালয় নতুন নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪

আপনি আর্টিকেলের এ পর্যন্ত এসেছেন তার মানে আপনি অবশ্যই ভূমি মন্ত্রনালয়ে চাকরি করার একজন আগ্রহী ব্যক্তি। আপনার যদি ভূমি মন্ত্রণালয় কাজ করা কোন ধরনের আগ্রহ থেকে থাকে তাহলে দ্রুত অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করে ফেলুন। আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত নিচে আলোচনা করব। তাহলে দেরি না করে যত তাড়াতাড়ি পা সম্ভব তত তাড়াতাড়ি আপনারা আবেদন অনলাইনে মাধ্যমে করে ফেলুন। 

আবেদন করার জন্য আপনাকে প্রথমে তাদের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। আবেদন করার জন্য আমাদের নিচে দেওয়া আবেদন করুন বাটনে ক্লিক করে আপনি খুব সহজে সেখান থেকে আবেদন করতে পারবেন। 

  • আবেদনের শুরু সময় : ০৮ অক্টোবর ২০২৪ তারিখ সকাল ১০ টা থেকে আবেদন করা যাবে।
  • আবেদনের শেষ সময় : ০৮ নভেম্বর ২০২৪ তারিখ বিকেল ০৫ টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

যারা উক্ত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করে ফেলবেন তারা অবশ্যই ৭২ ঘন্টার মধ্যে অনলাইনে টাকা পেমেন্ট করতে হবে। ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগ অনলাইনে কিভাবে টাকা দিতে হয় সে সম্পর্কে আমরা নিচে আলোচনা করব। আপনাকে অবশ্যই ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অনলাইনে পেমেন্ট করে ফেলতে হবে। 

আবেদন করতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

আবেদন করুন

ভূমি মন্ত্রণালয় নতুন জব সার্কুলার

ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন জব সার্কুলার টি আপনাদের সুবিধার্থে নিচে দেয়া হল। অবশ্যই আপনাকে জব সার্কুলারটি পড়ে নিতে হবে। আপনি যদি ভূমি মন্ত্রণালয় আবেদন করার মত যোগ্য ব্যক্তি হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনি অনলাইন আবেদন করতে পারবেন। তাদের দেওয়া সত্য নয় আপনাকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে এবং আবেদন করার পূর্বে আপনাকে দেখে নিতে হবে আপনি অনলাইনে আবেদন করার যোগ্য কিনা। তাহলে দেখুন ভূমি মন্ত্রণালয় নতুন জব সার্কুলার টি আমরা আপনাদের জন্য সার্কুলার কি সুন্দর ভাবে দিয়ে দিয়েছি। 

Ministry of Land Job Circular

ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪, Vumi Montronaloy Niyog Biggopti

ভূমি মন্ত্রণালয় নতুন জব সার্কুলারের পিডিএফ ফাইল পাওয়ার জন্য নিচের দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন। 

পিডিএফ ফাইল

ভূমি মন্ত্রণালয় অনলাইনে আবেদন করার পদ্ধতি

ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪ অনলাইনে আবেদন করার নিয়ম মনি মন্ত্রণালয় নিয়োগ পরীক্ষা অংশগ্রহণ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। অনলাইন দেখি তো আপনি অন্য কোন মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন না। অনলাইন থেকে আবেদন করার জন্য তাদের নির্দিষ্ট সাইট (আবেদন করার সাইট http://minland.teletalk.com.bd) থেকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। তাহলে চলুন দেখে নেই ধাপে ধাপে আপনি কিভাবে অনলাইনে মাধ্যমে আবেদন করবেন। 

  • প্রথমে আপনাকে তাদের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। ওয়েবসাইট লিংক http://minland.teletalk.com.bd
  • ক্লিক করার পর যে পেজ আসবে সেখানে দেখবেন “Application Form” লেখা আছে সেখানে ক্লিক করবেন। 
  • আপনি যে পদের জন্য আবেদন করবেন সেটি নির্বাচন করুন। 
  • এরপর "Next" বাটনে ক্লিক করুন। 
  • আপনি যদি alljobs.teletalk.com.bd এর প্রিমিয়াম ইউজার হয়ে থাকলে "YES" বাটনে ক্লিক করবেন অন্যথায় "NO" বাটনে ক্লিক করবেন। 
  • এখন আপনার সামনে ভূমি মন্ত্রণালয় আবেদন করার ফরমটি চলে আসবে। 
  • আপনার সামনে আসা ফর্মটি সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করুন, সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করার পর “Next” বাটনে ক্লিক করুন। 
  • পরবর্তী হবে আপনাকে একটি রঙিন ছবি এবং একটি খাতার মধ্যে আপনার স্বাক্ষর করা ইমেজ বা ছবি আপলোড করতে হবে। 
  • আবেদন প্রক্রিয়াটি শেষ হওয়ার পূর্বে আপনার ফর্মটি পুনরায় ভালোভাবে দেখে নিবেন। কোন ধরনের ভুল থাকলে তার সংশোধন করে ফেলবেন। পুনরায় দেখার পর সঠিক থাকলে “Submit” বাটনে ক্লিক করুন। 
  • এরপর আপনার আবেদন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়ে যাবে। আবেদন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়ার পর আপনাকে অবশ্যই আবেদন কপিটি ডাউনলোড করে নিতে হবে। 
  • অবশ্যই মনে রাখবেন ছবির মাপ হতে হবে ৩০০ x ৩০০ পিক্সেল এবং স্বাক্ষরের মাপ হতে হবে ৩০০ x ৮০ পিক্সেল। ছবির সাইজ হতে হবে অনুর্ধ্ব ১০০ KB এবং স্বাক্ষরের সাইজ হতে হবে অনুর্ধ্ব ৬০ KB।

ভূমি মন্ত্রণালয় অনলাইনে আবেদন ফি জমাদান পদ্ধতি

আপনি যদি ইতিমধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগ পরীক্ষার জন্য আবেদন করে থাকেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই ৭২ ঘন্টার মধ্যে অনলাইন পেমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে। আবেদন ফি জমা দেওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই তাদের দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী জমা দিতে হবে। এখন আমরা দেখে নেব আপনি কিভাবে ভূমি মন্ত্রণালয় অনলাইনে আবেদন ফ্রি জমা দিবেন। ভূমি মন্ত্রণালয় অনলাইনে আবেদন ফি জমা দেওয়ার পদ্ধতি থেকে দেখে নিন। 

আপনি সঠিকভাবে অনলাইনে আবেদন করার পর আপনি যে পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করবেন অর্থাৎ আপনার Applicant’s Copy এর মধ্যে একটি "USER ID" দেখতে পাবেন। আবেদন ফি জমা দিতে হবে এই User ID টি ব্যাবহার করে। ক্রমিক ০১ নং পদের জন্য আবেদন ফি ২২৩/- টাকা পরিশােধ করতে হবে SMS এর মাধ্যমে। 

অনলাইনে টাকা পেমেন্ট করার জন্য আপনার অবশ্যই একটি Teletalk Pre-paid SIM লাগবে। এটাই সাহায্যে আপনি ০২ টি মেসেজের মাধ্যমে অনলাইন আবেদন ফ্রি জমা দিতে পারবেন। নিচে দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী আপনাকে আবেদন জমা দিতে হবে। 

  • ১ম SMS: MINLAND <স্পেস> User ID লিখে 16222 নম্বরে Send করুন।
  • ২য় SMS: MINLAND <স্পেস> Yes <স্পেস> PIN লিখে 16222 নম্বরে Send করুন।

প্রথম SMS পাঠানোর পর ফিরতি মেসেজে আপনাকে একটি PIN দেওয়া হবে। এইখানে যে PIN নাম্বারটি দেওয়া হবে সেতি ২য় SMS এর সাথে দিতে হবে। যেটি আমরা উল্লেখ করেছি আপনি কিভাবে মেসেজ গুলো পাঠাবেন। এর পূর্বে আপনাকে অবশ্যই আপনার Teletalk Pre-paid SIM রিচার্জ করে নিতে হবে। 

আপনি PIN নাম্বার দিয়ে ২য় SMS করার পর ফিরতি একটা মেসেজ এর মাধ্যমে একটি Password দেওয়া হবে। যেটি আপনার Applicant’s Copy তে দেওয়া User Id এর সাথে সংরক্ষণ করবেন। Admit Card ডাউনলোড করার সময় আপনার User Name এবং মেসেজে দেওয়া Password টি প্রয়োজন হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগে User ID এবং Password পুন:রুদ্ধার

সরকারিভাবে সরকারি পরীক্ষা গুলো সাধারণত একটু দেরিতে হয়ে থাকে। যার ফলে আমরা অনেকেই User Id এবং Password হারিয়ে ফেলি। যখন এডমিট কার্ড নেওয়ার প্রয়োজন হয় তখন আমাদের এই জিনিসগুলোর প্রয়োজন হয়ে থাকে। হারিয়ে ফেলার কারণে আমরা এডমিট কার্ডটি আর সংগ্রহ করতে পারিনা। আপনার হারিয়ে যাওয়া User Id এবং Password টেলিটক সিম ব্যবহার করে খুব সহজে উদ্ধার করতে পারবেন। 

  • User ID জানা থাকলে: MINLAND <স্পেস> Help <স্পেস> User ID & Send to 16222.Example: MINLAND Help ABCDEFGH & send to 16222.
  • PIN Number জানা থাকলে: MINLAND <স্পেস> Help <স্পেস> PIN <স্পেস> PIN Number & Send to 16222.Example: MINLAND Help PIN 12345678 & send to 16222.

রায়হান আইটির শেষ কথা 

আমাদের আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা দেখানোর চেষ্টা করেছি ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪ সম্পর্কে। আমরা ইতিমধ্যে জেনেছি ভূমি মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দিয়েছে। এর আবেদন শুরু হবে ৯ অক্টোবর থেকে এবং চলবে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত। আপনারা যারা সরকারি চাকরি করতেছেন তারা চাইলে পমি মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করার জন্য আপনাকে অবশ্যই যোগ্য এবং আগ্রহী হতে হবে। আবেদন করার পর আপনি যদি যোগ্য হন তাহলে তারা আপনাকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য এডমিট কার্ড দিয়ে দিবে। প্রতিনিয়ত এরকম চাকরির খবর এবং অন্যান্য বিষয়ে বাংলা পোস্ট পেতে আমাদের ওয়েব সাইটে নিয়মিত ভিজিট করুন।

চাকরি থেকে অব্যাহতি পত্র লেখার নিয়ম

কোন সূরা পড়লে টেনশন দূর হয়

আমাদের আজকের পোস্টের বিষয় চাকরি থেকে অব্যাহতি পত্র লেখার নিয়ম সম্পর্কে। আমরা যারা বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরি করে থাকি তাদের অন্য কোন কোম্পানিতে চাকরি হলে অব্যহতি পত্র জমা দেওয়া লাগে। আপনারা কিভাবে চাকরি থেকে অব্যহতি পত্র লিখে জমা দিবেন সে সম্পর্কে আমাদের আজকের এই পোস্ট।

চাকরি করা অবস্থায় নতুন কোন কোম্পানি বা পারিবারিক অথবা অন্য যেকোন কারণে সে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার প্রয়োজন হলে আমাদের অব্যাহতি পত্র জমা দিতে হয়।

আমরা সবাই নিজেদের বা পরিবারের জন্য চাকরি করে থাকি। অনেক সময় সে চাকরির বেতন আমাদের কম পড়ে যায়। যার কারণে আমাদের নতুন চাকরির খোজ করতে হয়। আমরা অনেকেই চাকরি থেকে অব্যহতি নিতে চাই। চাকরি ছেড়ে দিয়ে চাই। চাকরি ছেড়ে দেওয়ার জন্য আমাদের অব্যহতি পত্র জমা দিতে হয়। বিডি ক্রিয়েটিভ আইটিতে আজকে অব্যাহতি পত্র লেখার নিয়ম বা রিজাইন লেটার লেখার নিয়ম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন।

আরো পড়ুনঃ ধাপে ধাপে জাতীয় পরিচয়পত্র যেভাবে সংশোধন করবেন

অব্যাহতি পত্র লেখার নিয়ম

আমরা যারা প্রাইভেট কোন কোম্পানিতে চাকরি করি আমাদের সেখান থেকে চাকরি ছেড়ে দিতে হয়। কারণ প্রাইভেট কোম্পানি থেকে সে সেলারি দেওয়া হয় সেটা আমাদের কম হতে পারে অথবা অন্য কোম্পানিতে ভালো কোন পোস্টে চাকরি পাওয়ার কারণে আমাদের চাকরি ছেড়ে দিতে হয়। এই চাকরি ছেড়ে দেওয়ার জন্য আমাদের অব্যহতি পত্র বা রিজাইন লেটার জমা করতে হয়।

আমরা মনে করি চাকরির অব্যাহতি পত্র লেখার নিয়ম টা ভিন্ন। আসলে তেমন কিছু না, আমরা যেভাবে আবেদন পত্র লিখে থাকি ঠিক সেভাবে আমাদেরকে চাকরির অব্যাহতি পত্র লিখতে হয়। যেকোন আবেদন পত্র বা অব্যাহতি পত্র লেখার সময় আমাদের একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে সেটা হচ্ছে হাতের লেখা। আমাদের হাতের লেখা সুন্দর করে লিখতে হবে।

চাকুরি থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য অব্যাহতির পত্র লিখতে হয়। অন্যান্য যেকোন আবেদন পত্র লেখার নিয়ম এর মতোই অব্যাহতি পত্র লিখতে হয়। নিচে আপনাদের জন্য অব্যাহতি পত্র অথবা রিজাইন লেটার এর কিছু নিয়ম দেখিয়ে দিচ্ছি। এই নিয়ম গুলো অনুসরণ করে সুন্দর করে একটি বাংলায় রিজাইন লেটার লিখতে পারেন।

বাংলায় রিজাইন লেটার লেখার নিয়ম । অব্যাহতি পত্র লেখার নিয়ম

এখন আমরা দেখবো পারিবারিক সমস্যার কারণে চাকরি থেকে অব্যাহতি নেওয়ার জন্য অব্যাহতি পত্র যেভাবে লিখতে হয়। আমাদের অনেক সময় পারিবারি সমস্যার কারণে চাকরি থেকে অব্যাহতি নিয়ে হয় বা চাকরি ছেড়ে দিতে হয়। পারিবারিক সমস্যার কারণে যদি আমরা চাকরি ছেড়ে দিয়ে থাকি এইটার কারণেও আমাদের কে অব্যাহতি পত্র জমা দিতে হবে। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক পারিবারিক সমস্যার কারণে চাকরি থেকে অব্যাহতি নেওয়ার জন্য অব্যাহতি পত্র লেখার নিয়ম।

তারিখ: (এইখানে তারিখ উল্ল্যেখ করতে হবে)
বরাবর,
ব্যবস্থাপক
আইটি বিভাগ
রায়হান আইটি কোম্পানি লিঃ
সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম

বিষয়ঃ চাকুরি থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য আবেদন।

জনাব,

সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মোঃ মনিরুল ইসলাম। আপনার রায়হান আইটি কোম্পানীতে দীর্ঘ ১ বছর যাবৎ হিসাবরক্ষক হিসেবে কর্মরত আছি। বর্তমানে আমার কিছু ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে আগামী (এইখানে আপনার তারিখ দিবেন) হতে আপনার কোম্পানিতে দায়িত্বে থাকতে পারবো না।

অতএব, জনাবের নিকট আকূল আবেদন এই যে, আমাকে উক্ত পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করে বাধিত করবেন।

নিবেদক-
(এইখানে আপনার স্বাক্ষর দিবেন)
মনিরুক ইসলাম
হিসাবরক্ষক
রায়হান আইটি কোম্পানি লিঃ
সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম।

আরো পড়ুনঃ দ্রুত হাই প্রেসার কমানোর উপায় সমূহ

চাকরি থেকে অব্যাহতি পত্র লেখার নিয়ম । রিজাইন লেটার লেখার নিয়ম

আমরা যখন অন্য কোন কোম্পানিতে উন্নত মানের চাকরি করার সুযোগ পেয়ে যায় তখন আমাদেরকে বর্তমান চাকরি থেকে অব্যাহতি নেওয়ার প্রয়োজন হয়ে থাকে। এখন আমরা দেখবো অন্য কোন কোম্পানি চাকরি পাওয়ার পর বর্তমান কোম্পানি থেকে কীভাবে অব্যাহতি নিতে হয়। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক-

তারিখ: (এইখানে তারিখ উল্ল্যেখ করতে হবে)
বরাবর,
ব্যবস্থাপক
আইটি বিভাগ
রায়হান আইটি কোম্পানি লিঃ
সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম

বিষয়ঃ চাকুরি থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য আবেদন।

জনাব,

সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মোঃ মনিরুল ইসলাম। আপনার রায়হান আইটি কোম্পানীতে দীর্ঘ ১ বছর যাবৎ হিসাবরক্ষক হিসেবে কর্মরত আছি। কিছুদিন পূর্বে আমি যমুনা গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানিতে সিনিয়র হিসাবরক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়েছি। তাই, আগামী (এইখানে আপনার তারিখ দিবেন) হতে আপনার কোম্পানিতে দায়িত্বে থাকতে পারবো না।

অতএব, জনাবের নিকট আকূল আবেদন এই যে, আমাকে উক্ত পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করে বাধিত করবেন।

নিবেদক-
(এইখানে আপনার স্বাক্ষর দিবেন)
মনিরুক ইসলাম
হিসাবরক্ষক
রায়হান আইটি কোম্পানি লিঃ
সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম।

চাকরি করা অবস্থায় নতুন কোন কোম্পানি বা পারিবারিক অথবা অন্য যেকোন কারণে সে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার প্রয়োজন হলে আমাদের অব্যাহতি পত্র জমা দিতে হয়। ইতিমধ্যে আমরা চাকরি থেকে অব্যাহতি পত্র লেখার নিয়ম বা বাংলায় রিজাইন লেটার লেখার নিয়ম সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। উপরের নিয়ম গুলো মেনে আপনি চাইলে রিজাইন লেটার বা অব্যাহতি পত্র লিখতে পারবেন। 

আমাদের শেষ কথা

আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনারা জানতে পেরেছেন চাকরি থেকে অব্যাহতি পত্র লেখার নিয়ম বা রিজাইন লেটার লেখার নিয়ম সম্পর্কে। বিডি ক্রিয়েটিভ আইটির আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনাদের সাথে চাকরি থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করেছি। আপনি যদি উপরের নিয়মগুলো অনুসরণ করেন, তাহলে সহজেই বাংলায় রিজাইন লেটার লিখতে পারবেন। আজকের আর্টিকেল এখানেই শেষ করছি। আল্লাহ্‌ হাফেয।

দরখাস্ত লেখার নিয়ম, নমুনা ও উদাহরন ২০২৪

ঘরে বসে আয় করুন ১৫০০০-২০০০০ টাকা প্রতি মাসে

দরখাস্ত আমাদের জীবনের একটি গুরুপ্তপূর্ণ অনুসঙ্গ। আমাদের বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য দরখাস্তের প্রয়োজন হয়ে থাকে। আমরা অনেকেই দরখাস্ত লিখতে পারি না। যেহেতু এই দরখাস্ত আমাদের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করতে হয়, সে জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম বিস্তারিত ভাবে জেনে রাখা ভালো। 

জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদনপত্র।     উপজেলার নির্বাহি কর্মকর্তার কাছে আবেদনপত্র।      উপবৃত্তির জন্য আবেদনপত্র।     জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদনপত্র     পত্রিকায় চাকরির জন্য আবেদনপত্র।      পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য আবেদনপত্র।      চাকরির জন্য আবেদনপত্র।      হঠাৎ ছুটির জন্য আবেদনপত্র।     অগ্রিম ছুটির জন্য আবেদনপত্র।     ছাড়পত্রের জন্য আবেদনপত্র।     ছাত্রাবাসে আসন চেয়ে আবেদনপত্র।      বনভোজনে যাওয়ার জন্য আবেদনপত্র।     ক্যান্টিন বা কমনরম চালু কিংবা চালু থাকলে তার সুবিধা বৃদ্ধির জন্য আবেদনপত্র।     মাতৃত্বকালীন ছুটির জন্য আবেদনপত্র।

দরখাস্ত এর ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে Application, আবার দরখাস্তকে আমরা সাধারণত আবেদনপত্র হিসেবে চিনে থাকি। দরখাস্ত বা আবেদনপত্র কীভাবে লিখতে হয় সে বিষয়ে আমাদের জানার প্রয়োজন।  দরখাস্ত বা আবেদনপত্র লেখার নিয়ম সম্পর্কে জানবো আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে।

আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন দরখাস্ত লেখার যাবতীয় নিয়ম সম্পর্কে। Dorkhasto lekhar niyom, Dorkhasto lekhar jabotiyo niyom, ki ki bishoye dorkhasto lekha jay. Dorkhasto lekhar niyom jante chai সম্পর্কে জানতে আমাদের আজকের আর্টিকেলে সম্পূর্ণ দেখুন।

দরখাস্ত বা আবেদনপত্র লেখার আগে আমরা জেনে নিবো দরখাস্ত কি এই বিষয়ের উপর। dorkhasto ki, What is an application?

আরো পড়ুনঃ ধাপে ধাপে জাতীয় পরিচয়পত্র যেভাবে সংশোধন করবেন

দরখাস্ত কি?

কিছু নিয়ম ও নীতি অনুসরণ করে অন্য কোন ব্যাক্তির কাছে বিশেষ বা নির্দিষ্ট কোন বিষয় নিয়ে যে আবেদন করা হয় অথবা যে চিঠি পাঠানো হয় তাকে দরখাস্ত বলে। দরখাস্ত এর ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে Application বা ফরমাল লেটার, আবার দরখাস্তকে আমরা সাধারণত আবেদনপত্র বা অফিসিয়াল চিঠি হিসেবেও চিনে থাকি।

কি কি বিষয়ে দরখাস্ত লেখা হয়

আমরা চাইলে দরখাস্ত লিখতে পারবো না। দরখাস্ত লেখার নির্দিষ্ট কোন কারন থাকা লাগবে। নির্দিষ্ট কোন কারণ ছাড়া আমরা  দরখাস্ত লিখতে পারবো না। সাধারণত আমাদের নিজেদের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে কোন বিষয়ে জানানোর জন্য আমরা দরখাস্ত লিখে থাকি। আমরা এই পর্যায়ে জানবো আমরা কি কি বিষয়ের জন্য আর্টিকেল লিখতে পারি। দরখাস্ত লেখার বিভিন্ন প্রকারভেদ রয়েছে, আমরা সে প্রকারভেদ গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।

  • জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদনপত্র।
  • উপজেলার নির্বাহি কর্মকর্তার কাছে আবেদনপত্র। 
  • উপবৃত্তির জন্য আবেদনপত্র
  • জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদনপত্র
  • পত্রিকায় চাকরির জন্য আবেদনপত্র। 
  • পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য আবেদনপত্র। 
  • চাকরির জন্য আবেদনপত্র। 
  • হঠাৎ ছুটির জন্য আবেদনপত্র
  • অগ্রিম ছুটির জন্য আবেদনপত্র
  • ছাড়পত্রের জন্য আবেদনপত্র
  • ছাত্রাবাসে আসন চেয়ে আবেদনপত্র। 
  • বনভোজনে যাওয়ার জন্য আবেদনপত্র
  • ক্যান্টিন বা কমনরম চালু কিংবা চালু থাকলে তার সুবিধা বৃদ্ধির জন্য আবেদনপত্র
  • মাতৃত্বকালীন ছুটির জন্য আবেদনপত্র

এইগুলো ছাড়াও আমাদের আরো অনেক কাজে দরখাস্ত লেখার প্রয়োজন হয়ে থাকে। আমাদের দৈনন্দিন কাজে দরখাস্ত লেখার প্রয়োজন হয়ে থাকে। তাহলে চলুন দরখাস্ত লেখার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জেনে নেওয়া যাক।

দরখাস্ত লেখার নিয়ম

আমাদের আর্টিকেলের শুরুতে আমরা বলে দিয়েছিলাম দরখাস্ত কেনো লেখা হয়ে থাকে। দরখাস্ত লেখার বিভিন্ন কারণ হয়ে থাকে, দরখাস্ত লেখার কয়েকটি কারণ আমরা আর্টিকেলের শুরুতে উল্ল্যেখ করেছিলাম। এখন আমরা জানবো দরখাস্ত লেখার মূল নিয়ম গুলো। এই নিয়ম গুলো ছাড়া আপনার দরখাস্ত সম্পূর্ণ হবে না। আপনি যেকোন দরখাস্তে এই নিয়ম গুলো দ্বারা দরখাস্ত লিখতে পারবেন।

  • দরখাস্ত লেখার নিয়ম: দরখাস্ত লেখার নিয়মের মধ্যে সব থেকে গুরুপ্তপূর্ণ বিষয় হচ্ছে তারিখ। আপনি যে দিন দরখাস্ত লিখবেন সে দিনের তারিখ দরখাস্তের মধ্যে উল্ল্যেখ করতে হবে। যে পৃষ্টার মধ্যে দরখাস্ত লিখবেন সে পৃষ্টার শুরুতে বাম পাশে তারিখ লিখতে হবে। 
  • প্রাপকের পদবি ও ঠিকানা: দরখাস্ত লেখার এর পরের নিয়মটি হলো প্রাপকের পদবি ও ঠিকানা লেখা। প্রাপক মানে হচ্ছে আপনি যার উদ্দেশ্যে দরখাস্ত লিখবেন তিনি হচ্ছেন প্রাপক, অর্থাৎ আপনি কার কাছে লিখছেন দরখাস্তটি তার তথ্য।  প্রাপক যে প্রতিষ্ঠানের প্রধান সেখানের ঠিকানা দিতে হবে।
  • দরখাস্তের বা আবেদনের বিষয়: এরপর লিখতে হবে দরখাস্তের বা আবেদনের বিষয়। অর্থ্যাৎ আপনি যে বিষয়ে দরখাস্ত বা আবেদন পত্র দিবেন সেটা উল্ল্যেখ করে দিবেন। এই লেখাটা সাধারণত ৪-৫ শব্দের মধ্যে হয়ে থাকে। 
  • সম্ভাষণ: এরপর আপনাকে দিতে হবে সম্ভাষণ। লেখার সময় শুরুতে আমরা জনাব বলে সম্বোধন করবো। এখন ম্যাডাম, স্যার এই বিষয় গুলো তেমন একটা কেউ ব্যবহার করে না। তাই আমাদের কে শুরুতে জনাব লিখে দরখাস্তের মূল বিষয় লেখা শুরু করতে হবে।
  • আবেদনের মূল অংশ: এই অংশে আপনাকে লিখতে হবে আবেদনের মূল অংশ। এই অংশে আপনি যার কাছে আবেদনপত্র বা দরখাস্ত দিবেন তাকে সংক্ষিপ্ত অথচ গঠনমূলক ভাবে লিখবেন। যত কম শব্দের মধ্যে গুছিয়ে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে পারবেন তত মানসম্মত হবে আপনার দরখাস্ত বা আবেদন পত্র। 
  • আবেদনকারীর নাম ও ঠিকানা: এটি হচ্ছে দরখাস্ত বা আবেদনপত্র লেখার শেষ নিয়ম। এই অংশে আবেদনকারীর নাম ও ঠিকানা উল্ল্যেখ করতে হবে। সাধারণত বিনীত বা নিবেদক অথবা বিনীত নিবেদক একসাথে লিখেও দিতে পারেন। এরপর নিচে আপনার নাম, আপনার পদবী, আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম অর্থ্যাৎ আপনার পরিচয় দিতে হবে। এর মাধ্যমে আপনার দরখাস্ত লেখা শেষ হয়ে যাবে। 

আপনি উপরে দেখানো নিয়ম গুলো মেনে দরখাস্ত বা আবেদনপত্র লিখে ফেলতে পারবেন কোন ধরনের ভূল ছাড়া। কারণ ভূল দরখাস্ত বা আবেদনপত্র কোন প্রাপক গ্রহন করবে না। আপনাকে অবশ্যই উপরের নিয়ম গুলো মেনে দরখাস্ত বা আবেদনপত্র লিখতে হবে।

দরখাস্ত লেখার নিয়ম, নমুনা ও উদাহরন

তারিখ: 

বরাবর,

প্রাপকের পদবী (প্রধান শিক্ষক বা শিক্ষিকা/অধ্যক্ষ/এমডি)

প্রতিষ্ঠানের নাম

প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা (এইখানে প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা লিখতে হবে, এইখানে সাধারণত জেলা বা শহরের নাম দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু কোন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের নাম হলে পূর্ণ ঠিকানা দেওয়ার চেষ্টা করবেন)

বিষয় (এইখানে আপনার দরখাস্তের বিষয় লিখতে হবে) 

সম্ভাষণ (জনাব বা জনাবা লিখবেন এইখানে)

মূল লেখা (এইখানে আপনার দরখাস্তের মূল বিষয় লিখতে হবে। সবিনয় নিবেদন এই যে…এভাবে শুরু করতে হবে)

বিনীত নিবেদক

প্রেরকের নাম ঠিকানা

চাকরির দরখাস্ত লেখার নিয়ম

আমরা এতোক্ষন যে দরখাস্ত বা আবেদনপত্র লেখার যে নিয়মটি দেখলাম সেটি হচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক আবেদন পত্র লেখার নিয়ম। আমাদের আর্টিকেলের এই অংশে আমরা জানবো চাকরির দরখাস্ত লেখার নিয়ম সম্পর্কে। 

আমরা সাধারণত খুজে থাকি chakrir dorkhasto lekhar niyom. Kivabe likhte hoy chakrir dorkhasto. এই বিষয় গুলো নিয়ে। ঘাবড়ানোর কিছুই নেই , এইটাও প্রাতিষ্ঠানিক দরখাস্তের মতো করে লিখতে হয়। 

তবে এইখানে একটি বিষয় হচ্ছে আপনাকে নমনীয় ভাবে দরখাস্ত বা আবেদন পত্র লিখতে হবে। চাকরিটি যে আপনার খুবই প্রয়োজন সেটি দরখাস্তের মাধ্যমে বুঝাতে হবে। 

চাকরির দরখাস্ত লেখার নিয়ম এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো আপনার হাতের লেখা অবশ্যই সুন্দর হতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক দরখাস্তের আমাদের সোর্সের কোন প্রয়োজন হয় না কিন্তু চাকরির দরখাস্তে আমাদের সোর্সের প্রয়োজন হয়ে থাকে। যে সোর্সের মাধ্যমে আমরা চাকরির জন্য আবেদন করতেছি সেটি উল্ল্যেখ করতে হবে। 

চাকরির দরখাস্তের সাথে যে গুলো দিতে হবে সেগুলো হলো:- 

  • বায়োডাটা বা জীবনবৃত্তান্ত
  • পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবি
  • শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সার্টিফিকেট
  • জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি

তাছাড়া বাকি সব নিয়ম প্রাতিষ্ঠানিক দরখাস্তের মতোই। 

আমাদের শেষ কথা

আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি দরখাস্ত বা আবেদনপত্র লেখার মেজর দুইটি নিয়ম সম্পর্কে। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন দরখাস্ত লেখার নিয়ম সম্পর্কে। 

আপনার কি ধরনের দরখাস্তের প্রয়োজন হবে সেটা চিন্তা করুন এবং আমাদের দেওয়া নিয়ম গুলো মেনে দরখাস্ত লেখা শুরু করে দিন। দরখাস্তবা আবেদনপত্র লেখার কোন নিয়ম না বুঝলে আমাদের কমন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন।

সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ - সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র ১ম অধ্যায় সমাধান

দাঁতের মাড়ি শক্ত ও মজবুত করার উপায়

সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র ১ম অধ্যায় সমাধান - আমরা যারা একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়াশোনা করতেছি এবং যারা আর্টস বিভাগ নিয়ে পড়াশোনা করতেছি তাদের সমাজবিজ্ঞান ১ম ও ২য় পত্র বইটি রয়েছে। সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র বইয়ের প্রথম অধ্যায় সমাজ বিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ নিয়ে আলোচনা করা হবে। সমাজ বিজ্ঞান প্রথম পত্র বইয়ের প্রথম অধ্যায়ের নাম হলো সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ। এখানে অনেক ধরনের প্রশ্ন হয়েছে যা তোমাদের কাজে লাগতে পারে। 

সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ - সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র ১ম অধ্যায় সমাধান Inbox

ভূমিকা - সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ

যারা একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়াশোনা করতেছো এবং সামনে পরীক্ষা দিবা তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট অনেক উপকারী হবে। এই পোষ্টের মাধ্যমে আমরা সমাজবিজ্ঞান প্রথম পত্র বইয়ের প্রথম অধ্যায় সমাজ বিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ থেকে বেশ করেছি জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করেছি। জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্নগুলোর সাথে সুন্দরভাবে উত্তর দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের বোঝার সুবিধার্থে আমাদের এই প্রশ্নের উত্তর গুলো সহজ করে দেয়া হয়েছে। 

আমাদের দেওয়া জ্ঞান মূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্নগুলো খাতায় তুলে নিবে অথবা আমাদের সাইট থেকেও তোমরা খুব সহজে প্রশ্নগুলোর উত্তর করতে পারবে। তাহলে আজকের এই পোস্ট সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ অধ্যায় জ্ঞান মূলক ও অনুধাবনমূলক কয়েকটি প্রশ্ন সমাধান করা হলো। 

সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র ১ম অধ্যায় সমাধান 

নিচে সমাজবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রথম অধ্যায় সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ থেকে বেশ কয়েকটি জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উল্লেখ করা হলো। 

প্রশ্ন:- ১ - সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ

ক. "সমাজবিজ্ঞান একমাত্র বিজ্ঞান যা সমাজ এবং সামাজিক সম্পর্ক বিষয়ে অধ্যয়ন করে।"- উক্ত সংজ্ঞাটি কোন সমাজবিজ্ঞানীর?  

উত্তর:- "সমাজবিজ্ঞান একমাত্র বিজ্ঞান যা সমাজ এবং সামাজিক সম্পর্ক বিষয়ে অধ্যয়ন করে।"- সংজ্ঞাটি সমাজবিজ্ঞানী ম্যাকাইভার ও পেজের 

খ. সমাজবিজ্ঞান একটি বিশ্লেষণধর্মী বিজ্ঞান- ব্যাখ্যা কর। 

উত্তর:- সমাজবিজ্ঞানে গোটা সমাজের নিখুঁত বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা থাকে বলে সমাজবিজ্ঞানকে বিশ্লেষণধর্মী বিজ্ঞান বলা হয়। আমরা জানি, সমাজবিজ্ঞান কেবল সমাজের প্রপণ্য বা ঘটনাবলির আলোচনাই করে না, বরং ঐ প্রপঞ্জ বা ঘটনাসমূহের মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ের প্রচেষ্টাও চালায়। এক্ষেত্রে যুক্তিবাদী বিচার-বিশ্লেষণের সহায়তা নেয়া হয়। তাই সমাজবিজ্ঞানকে একটি বিশ্লেষণধর্মী বিজ্ঞান বলা হয়। 

প্রশ্ন:- ২ - সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ

ক. The Communist Manifesto গ্রন্থটির লেখক কে? 

উত্তর:- "The Communist Manifesto"- গ্রন্থটির লেখক জার্মান দার্শনিক ও সমাজবিজ্ঞানী কার্ল মার্কস। 

খ. সামাজিকীকরণ বলতে কী বোঝ? 

উত্তর:- যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানবশিশু ক্রমশ সামাজিক মানুষে পরিণত হয়, তাকে সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়া বলে। সামাজিকীকরণ একটি জীবনব্যাপী প্রক্রিয়া। শিশুর জন্মের পর হতে মৃত্যু পর্যন্ত বিভিন্ন মাধ্যমে অভিজ্ঞতা অর্জন ও খাপ খাওয়ানোর প্রক্রিয়াই হলো সামাজিকীকরণ। সামাজিকীকরণ ব্যক্তিকে তার সামাজিক জগতে অনুপ্রবেশ করায়, তাকে সমাজের নানা ধরনের কাজকর্মে অংশগ্রহণকারী সদস্য হিসেবে গড়ে তোলে এবং সমাজের আদর্শ ও মূল্যবোধ গ্রহণে তাকে উদ্বুদ্ধ করে। 

আরো পড়ুনঃ কোন সূরা পড়লে টেনশন দূর হয়

প্রশ্ন:- ৩ - সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ

ক. সামাজিক মনোবিজ্ঞানীরা কী নিয়ে আলোচনা করে?  

উত্তর:- সামাজিক মনোবিজ্ঞানীরা সমাজে বসবাসকারী মানুষের মন নিয়ে আলোচনা করে। 

খ . সমাজবিজ্ঞানের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ কী? 

উত্তর:- সমাজবিজ্ঞানের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো- সমাজবিজ্ঞান হচ্ছে সমাজ সম্পর্কে জ্ঞান বা সমাজের আলোচনা। সমাজবিজ্ঞানের ইংরেজি প্রতিশব্দ Sociology শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Socius এবং গ্রিক শব্দ Logos থেকে উদ্ধৃত হয়েছে। Socius অর্থ সমাজ এবং Logos অর্থ জ্ঞান। ল্যাটিন শব্দ Socius শব্দের আক্ষরিক অর্থ সঙ্গী। তবে যেহেতু সঙ্গবদ্ধ জীবনের ভিত্তিতে সমাজ গড়ে ওঠে তাই Socius এর ভাবার্থ হলো সমাজ। Sociology শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ব্যাখ্যা করে 'সমাজ বিজ্ঞানকে সমাজ সম্পর্কিত জ্ঞান বলে আখ্যায়িত করা যায়। 

প্রশ্ন:- ৪ - সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ

ক. নৃবিজ্ঞানী লুইস মর্গানের ১৮৭৭ সালে প্রকাশিত বিখ্যাত গ্রন্থটির নাম কী? 

উত্তর:- মার্কিন নৃবিজ্ঞানী লুইস হেনরি মগানের ১৮৭৭ সালে প্রকাশিত বিখ্যাত গ্রন্থটির নাম- "Ancient Society" 

খ. সমাজবিজ্ঞানকে মূল্যবোধ নিরপেক্ষ বিজ্ঞান বলে কেন? 

উত্তর:- সমাজবিজ্ঞান ন্যায়-অন্যায় বোধ নিরপেক্ষ অর্থাৎ বস্তুনিষ্ঠ ও যুক্তিপ্রবণ বিজ্ঞান বলে সমাজবিজ্ঞানকে মূল্যবোধ নিরপেক্ষ বিজ্ঞান বলা হয়। বিজ্ঞানের প্রধান ধর্মই হচ্ছে নৈতিকতার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ থাকা। আর তাই সমাজবিজ্ঞানও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখে। সমাজবিজ্ঞানীগণ সামাজিক বা ব্যক্তিগত মূল্যবোধের দ্বারা কোনোভাবে প্রভাবিত না হয়ে যাবতীয় সামাজিক ঘটনা বিচার-বিশ্লেষণ করেন। এ কারণে সমাজবিজ্ঞানকে মূল্যবোধ নিরপেক্ষ বিজ্ঞান হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। 

প্রশ্ন:- ৫ - সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ

ক. বর্তমানে সমাজবিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞানের মধ্যকার সম্পর্কের বন্ধনকে দৃঢ় করতে কোন বিষয়ের উদ্ভব ঘটেছে?  

উত্তর:- বর্তমানে সমাজবিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞানের মধ্যকার সম্পর্কের বন্ধনকে দৃঢ় করতে সামাজিক মনোবিজ্ঞানের উদ্ভব ঘটেছে। 

খ. সমাজবিজ্ঞানকে কেন সমাজের পূর্ণাঙ্গ পাঠ বলা হয়? 

উত্তর:- সমাজবিজ্ঞানকে সমাজের পূর্ণাঙ্গ পাঠ বলা হয় কারণ সামাজিক মানুষের আচার-আচরণ, আদর্শ-মূল্যবোধ, কার্যাবলি, রীতিনীতি কীভাবে পারস্পারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এবং কীভাবে এর গতিশীলতা বজায় থাকে তা নিয়ে অধ্যয়ন করতে গিয়ে গোটা সমাজের মধ্যে এর অনুসন্ধান করতে হয়। এছাড়াও সমাজবিজ্ঞান সমাজের সদস্য হিসেবে মানুষের পারস্পারিক নির্ভরশীলতা, পারস্পরিক সম্পর্ক, সাধারণ জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি, মানুষের মধ্যকার দ্বন্দ্ব, সহযোগিতা ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করে। 

প্রশ্ন:- ৬ - সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ

ক. বর্তমানে সমাজবিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞানের মধ্যকার সম্পর্কের বন্ধনকে দৃঢ় করতে কোন বিষয়ের উদ্ভব ঘটেছে?  

উত্তর:- বর্তমানে সমাজবিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞানের মধ্যকার সম্পর্কের বন্ধনকে দৃঢ় করতে সামাজিক মনোবিজ্ঞানের উদ্ভব ঘটেছে। 

খ. সমাজবিজ্ঞানকে কেন সমাজের পূর্ণাজা পাঠ বলা হয়? 

উত্তর:- সমাজবিজ্ঞান সমাজের সদস্য হিসেবে মানুষের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা, পারস্পরিক সম্পর্ক, সাধারণ জীবনযাত্রা প্রণালি বা সংস্কৃতি, মানুষের মধ্যকার দ্বন্দ্ব, সহযোগিতা ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করে। পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন অনুষ্ঠান- প্রতিষ্ঠান, সমাজের পরিবর্তনশীলতা, সমাজের বিভিন্ন উপাদান প্রভৃতি সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা করে থাকে। সমাজবিজ্ঞান যে শুধু সহজ সরল সমাজ নিয়ে আলোচনা করে এমন নয়, বর্তমান জটিল থেকে জটিলতায় রূপধারণকারী সমাজেরও খুঁটিনাটি আলোচনা করে। এ সব প্রেক্ষিতেই সমাজবিজ্ঞানকে সমাজের পূর্ণাঙ্গ পাঠ বলে অভিহিত করা হয়। 

প্রশ্ন:- ৭ - সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ

ক. নৃবিজ্ঞান কাকে বলে?  

উত্তর:- মানুষের উৎপত্তি, ক্রমবিকাশ এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে নৃবিজ্ঞান বলে। 

খ. পরিবারের সমাজবিজ্ঞান যা নিয়ে আলোচনা করে তা ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর:- পরিবারের সমাজবিজ্ঞান পরিবারের উৎপত্তি, বিকাশ, প্রকরণ, পরিবর্তনশীল পরিবারের কার্যাবলি এবং সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে। পরিবারের সমাজবিজ্ঞান সমাজ ও যুগভেদে পরিবারের কাঠামো ও প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা করে। এটি পরিবর্তনশীল সমাজের প্রেক্ষাপটে পরিবারের ভূমিকা ও কার্যাবলি সম্পর্কে গবেষণা চালায়। এর পাশাপাশি এটা বিবাহ, বিবাহের ধরন, প্রকৃতি, বিবাহের রীতিনীতি, আচার-অনুষ্ঠান এবং মানবসমাজে বিবাহের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করে। পরিবারের সমাজবিজ্ঞান জ্ঞাতি সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা করে। 

প্রশ্ন:- ৮ - সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ

ক. কোন কোন শব্দের সমন্বয়ে 'Sociology' শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে? 

উত্তর:- ল্যাটিন শব্দ 'Socius' এবং গ্রিক শব্দ 'Logos'-এর সমন্বয়ে ইংরেজি 'Sociology' শব্দের উৎপত্তি হয়েছে। 

খ. সমাজবিজ্ঞানকে 'মানব সম্পর্কের বিজ্ঞান' বলা হয় কেন? 

উত্তর:- সমাজবিজ্ঞান যেহেতু মানব আচরণ ও সমাজ সম্পর্কে পঠন-পাঠন ও গবেষণা করে তাই একে 'মানব সম্পর্কের বিজ্ঞান' বলা হয়। বস্তুত সমাজবিজ্ঞান হলো সমাজ সম্পর্কিত বস্তুনিষ্ঠ পাঠ বা বিশ্লেষণ। বিভিন্ন সমাজবিজ্ঞানীদের মধ্যে দৃষ্টিভঙ্গিগত পার্থক্য থাকলেও তাদের প্রদত্ত সমাজবিজ্ঞানের সংজ্ঞার মধ্যে একটি বিষয়ে মিল লক্ষ করা যায়। আর তা হচ্ছে, সমাজবিজ্ঞানের প্রায় সকল সংজ্ঞাতেই সমাজবন্ধ মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। অর্থাৎ- সমাজবিজ্ঞান মূলত সমাজে বসবাসকারী মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়েই আলোচনা করে থাকে। আর এ জন্যই সমাজবিজ্ঞানকে 'মানব সম্পর্কের বিজ্ঞান' বলা হয়ে থাকে। 

প্রশ্ন:- ৯ - সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ

ক. সমাজবিজ্ঞানকে সামাজিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক গতিশীলতার বিজ্ঞান বলে অভিহিত করেছেন কে? 

উত্তর:- সমাজবিজ্ঞানকে সামাজিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক গতিশীলতার বিজ্ঞান বলে অভিহিত করেছেন অগাস্ট কোঁৎ। 

খ. সমাজবিজ্ঞানকে কেন ঐতিহ্যগতভাবে মূল্যবোধ নিরপেক্ষ বিজ্ঞান বলা হয়? 

উত্তর:- সমাজবিজ্ঞান ন্যায়-অন্যায় বোধ নিরপেক্ষ অর্থাৎ বস্তুনিষ্ঠ ও যুক্তিপ্রবণ বিজ্ঞান বলে সমাজবিজ্ঞানকে মূল্যবোধ নিরপেক্ষ বিজ্ঞান বলা হয়। বিজ্ঞানের প্রধান ধর্মই হচ্ছে নৈতিকতার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ থাকা। আর তাই সমাজবিজ্ঞানও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখে। সমাজবিজ্ঞানীগণ সামাজিক বা ব্যক্তিগত মূল্যবোধের দ্বারা কোনোভাবেই প্রভাবিত না হয়ে যাবতীয় সামাজিক ঘটনা বিচার-বিশ্লেষণ করেন। এ কারণেই সমাজবিজ্ঞানকে মূল্যবোধ নিরপেক্ষ বিজ্ঞান হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। 

প্রশ্ন:- ১০ - সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ

ক. ম্যাকাইভারের মতে, মানসিক ঘটনা কী? 

উত্তর:- ম্যাকাইভারের মতে, সমাজজীবনের যা কিছু একজন জীবিত মানুষ করে বা ভোগ করে, যা কিছু ইতিহাস ও অভিজ্ঞতায় পাওয়া যায় তার সবই হলো মানসিক ঘটনা। 

খ. সমাজবিজ্ঞান বিকাশে জিয়ামবাতিস্তা ভিকোর অবদান ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর:- ইতালিতে সমাজবিজ্ঞান বিকাশে যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন জিয়ামবাতিস্তা ভিকো তার অন্যতম। তিনি তার প্রতিষ্ঠিত নববিজ্ঞানে জাতিসমূহের সাধারণ প্রকৃতি নিয়ে যে আলোচনা করেন তা সমাজবিজ্ঞান বিকাশে অসামান্য অবদান রাখে। তিনি বিশ্বাস করতেন সমাজ কতকগুলো সুনির্দিষ্ট নিয়মের অধীন এবং বস্তুনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ ও পাঠের মাধ্যমে সমাজ বিকাশের সূত্রাবলিকে আবিষ্কার করা যায়। তার উক্ত দৃষ্টিভঙ্গি সমাজবিজ্ঞানের বিকাশ সাধনে অনবদ্য অবদান রাখে। 

প্রশ্ন:- ১১ - সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ

ক. "সমাজবিজ্ঞান একমাত্র বিজ্ঞান যা সমাজ এবং সামাজিক সম্পর্ক বিষয়ে অধ্যয়ন করে।"- উত্ত সংজ্ঞাটি কোন সমাজবিজ্ঞানীর?  

উত্তর:- সমাজবিজ্ঞান একমাত্র বিজ্ঞান যা সমাজ এবং সামাজিক সম্পর্ক বিষয়ে অধ্যয়ন করে।"- সংজ্ঞাটি সমাজবিজ্ঞানী ম্যাকাইভার ও পেজের। 

খ. সমাজবিজ্ঞান একটি বিশ্লেষণধর্মী বিজ্ঞান- ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর:- সমাজবিজ্ঞানে গোটা সমাজের নিখুঁত বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা থাকে বলে সমাজবিজ্ঞানকে বিশ্লেষণধর্মী বিজ্ঞান বলা হয়। আমরা জানি, সমাজবিজ্ঞান কেবল সমাজের প্রপঞ্চ বা ঘটনাবলির আলোচনাই করে না, বরং ঐ প্রপঞ্চ বা ঘটনাসমূহের মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ের প্রচেস্টাও চালায়। এক্ষেত্রে যুক্তিবাদী বিচার-বিশ্লেষণের সহায়তা নেয়া হয়। তাই সমাজবিজ্ঞানকে একটি বিশ্লেষণধর্মী বিজ্ঞান বলা হয়। 

প্রশ্ন:-১২ - সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ

ক. বর্তমানে সমাজবিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞানের মধ্যকার সম্পর্কের বন্ধনকে দৃঢ় করতে কোন বিষয়ের উদ্ভব ঘটেছে? 

উত্তর:- বর্তমানে সমাজবিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞানের মধ্যকার সম্পর্কের বন্ধনকে দৃঢ় করতে সামাজিক মনোবিজ্ঞানের উদ্ভব ঘটেছে। 

খ. সমাজবিজ্ঞানকে কেন সমাজের পূর্ণাঙ্গ পাঠ বলা হয়? 

উত্তর:- সমাজবিজ্ঞানকে সমাজের পূর্ণাঙ্গ পাঠ বলা হয় কারণ সামাজিক মানুষের আচার-আচরণ, আদর্শ-মূল্যবোধ, কার্যাবলি, রীতিনীতি কীভাবে পারস্পারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এবং কীভাবে এর গতিশীলতা বজায় থাকে তা নিয়ে অধ্যয়ন করতে গিয়ে গোটা সমাজের মধ্যে এর অনুসন্ধান করতে হয়। এছাড়াও সমাজবিজ্ঞান সমাজের সদস্য হিসেবে মানুষের পারস্পারিক নির্ভরশীলতা, পারস্পরিক সম্পর্ক, সাধারণ জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি, মানুষের মধ্যকার দ্বন্দ্ব, সহযোগিতা ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করে। 

প্রশ্ন:- ১৩ - সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ

ক. উৎপাদন, বণ্টন, ভোগ, সঞ্চয় কোন শাস্ত্রের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়? 

উত্তর:- উৎপাদন, বণ্টন, ভোগ, সঞ্চয় ইত্যাদি অর্থনীতি শাস্ত্রের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। 

খ. সমাজতাত্ত্বিক মতবাদ গোষ্ঠী সম্পর্কে লেখো। 

উত্তর:- সমাজতাত্ত্বিক মতবাদ গোষ্ঠী সমাজ বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে সামাজিক পরিবেশ এবং সামাজিক শক্তিসমূষের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে। এই গোষ্ঠীর দৃষ্টিতে ব্যক্তির আচরণ তার সামাজিক প্রভাবের ফল। সমাজতাত্ত্বিক মতবাদ গোষ্ঠীটি অবশ্য অন্যান্য মতবাদ গোষ্ঠীর প্রয়োজনীয়তা পুরোপুরি অস্বীকার করে না। 

প্রশ্ন:- ১৪ - সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ

ক. নৃবিজ্ঞান কাকে বলে? 

উত্তর:- মানুষের উৎপত্তি, ক্রমবিকাশ এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে নৃবিজ্ঞান বলে। 

খ. পরিবারের সমাজবিজ্ঞান যা নিয়ে আলোচনা করে তা ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর:- পরিবারের সমাজবিজ্ঞান পরিবারের উৎপত্তি, বিকাশ, প্রকরণ, পরিবর্তনশীল পরিবারের কার্যাবলি এবং সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে। পরিবারের সমাজবিজ্ঞান সমাজ ও যুগভেদে পরিবারের কাঠামো ও প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা করে। এটি পরিবর্তনশীল সমাজের প্রেক্ষাপটে পরিবারের ভূমিকা ও কার্যাবলি সম্পর্কে গবেষণা চালায়। এর পাশাপাশি এটা বিবাহ, বিবাহের ধরন, প্রকৃতি, বিবাহের রীতিনীতি, আচার-অনুষ্ঠান এবং মানবসমাজে বিবাহের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করে। পরিবারের সমাজবিজ্ঞান জ্ঞাতি সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা করে। 

রায়হান আইটির শেষ কথা 

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ আশা করি তোমরা তোমাদের সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ অধ্যায়ের প্রশ্নগুলোর সমাধান পেয়েছ। আমরা চেষ্টা করেছি সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র এই বইয়ের প্রথম অধ্যায়ের সব প্রশ্ন দেওয়ার জন্য। তোমাদের পরীক্ষার মধ্যে আশা করি প্রশ্নগুলো কমন পড়বে। আমাদের দেওয়া প্রশ্নগুলোর উত্তর ভালোভাবে পড়লে খুব সহজেই মুখস্থ করতে পারবে। একটু ভালোভাবে বুঝে পড়তে পারলে প্রশ্নগুলো তোমার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে। পরবর্তীতে আমরা সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্রের বাকি অধ্যায় গুলোর প্রশ্নপত্র ও উত্তরমালা নিয়ে আসব।

অনলাইনে উপবৃত্তির আবেদন করার নিয়ম ২০২৪

বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে। গরিব ঘরের সন্তানরা চাইলেও তাদের পড়াশুনার খরচ চালাতে পারে না। তাদের মা-বাবা তাদের পড়ালেখার খরচ বহন করতে না পারার কারণে অনেক ছেলে-মেয়ের পড়ালেখা করা সম্ভব হয় না। তাই বাংলাদেশের সরকার দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবস্থা করেছে উপবৃত্তি। যারা উপবৃত্তি নিতে আগ্রহী তারা অবশ্যই শিক্ষার্থী হতে হবে। উপবৃত্তি পাওয়ার জন্য আবেদন করতে হয়। আমাদের আজকের আর্টিকেলের বিষয় অনলাইনে উপবৃত্তির আবেদন করার নিয়ম ২০২৪।

অনলাইনে উপবৃত্তির আবেদন করার নিয়ম ২০২৪, উপবৃত্তি আবেদন অনলাইন ফরম, উপবৃত্তির অর্থের পরিমাণ, অনলাইনে উপবৃত্তির আবেদনের নিয়মাবলী

বাংলাদেশের একটি বিশাল অংশ দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করে  থাকে। যার কারণে অর্থের অভাবে তাদের ছেলে মেয়ের পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারে না। তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারে না। টাকার জন্য যেন কোন ছাত্র-ছাত্রীর পড়াশুনা বন্ধ না হয়ে যায়, এই বিষয়কে মাথায় রেখে বাংলাদেশ সরকার দরিদ্র এবং মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য উপবৃত্তি চালু করেছে। যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে যেতে পারে। 

উপবৃত্তির জন্য আবেদন করতে গেলে আগে অনেক ঝামেলাই পড়তে হতো। তবে বর্তমানে অনলাইন এর মাধ্যমে উপবৃত্তির জন্য আবেদন করা যায়। এতে করে মানুষের সময় এবং ঝামেলা দুইটাই কমে গেছে। আমাদের আজকের এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে জানবো অনলাইনে উপবৃত্তির আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কে।

উপবৃত্তি কী?

যারা অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল বা দারিদ্র্য সেসব শিক্ষার্থীদের মাঝে সরকার থেকে যে আর্থিক অনুদান দেয়া হয়ে থাকে, তাকে উপবৃত্তি বলা হয়। অনেকের পরাশুনার ইচ্ছা থাকলে যতেষ্ট পরিমানে টাকা পয়সা না থাকার কারণে তারা লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারে না। সেসব শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশ সরকার কতৃক উপবৃত্তির  ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারা এই উপবৃত্তির টাকা গুলো দিয়ে যেন লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারে। বাংলাদেশ সরকার উপবৃত্তি চালু করার মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশে শতভাগ শিক্ষা নিশ্চিত করা। বাংলাদেশে শিক্ষার হার বৃদ্ধিতে উপবৃত্তি কর্মসূচীর একটি গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা পালন করে।

অনলাইনে উপবৃত্তির আবেদন করার নিয়ম 

বাংলাদেশের প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে স্কুল-কলেজের উপবৃত্তির জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে থাকে। প্রকাশ করা হয় উপবৃত্তির ওয়েবসাইট এর মধ্যে যার নাম মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। ষষ্ঠ থেকে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সরকারি ভাবে উপবৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। 

উপবৃত্তির জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। সাথে কোন কোন প্রতিষ্ঠান গুলো উপবৃত্তির আওতায় পড়বে সেটাও প্রকাশ করা হয়ে থাকে। 

উপবৃত্তির জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া কোন শিক্ষার্থীর জানা থাকলে সে সহজে আবেদন করতে পারবে। আবেদন করার জন্য অন্য কারো কাছে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে অনলাইনে উপবৃত্তির আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। 

অনলাইনে উপবৃত্তির জন্য আবেদন করা শেষ হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তথ্য যাচাই বাছাই করা হবে। যাচাই বাছাই সম্পূর্ন হওয়ার পর সে তথ্য গুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট (PMEAT) এর ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে দেয়া হবে। যে যে শিক্ষার্থী উপবৃত্তির জন্য সিলেক্ট হবে তাদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।  উপবৃত্তির বিজ্ঞপ্তি থেকে শুরু করে আবেদন সহ সকল যাবতীয় নির্দেশনা এই সাইটের মাধ্যমে পেয়ে যাবে, সাইটের লিংক হলো www.pmeat.gov.bd 

অনলাইনে উপবৃত্তির আবেদনের নিয়মাবলী

শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে অনলাইনে উপবৃত্তির জন্য আবেদন করার কিছু নিয়ম দেওয়া হয়ে থাকে, যেগুলো না মানলে উপবৃত্তির আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। 

চলুন তাহলে আর দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক অনলাইনে উপবৃত্তির আবেদন করার নিয়মাবলী সম্পর্কে। 

  • ছবি: শিক্ষার্থীদের সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি দেওয়া লাগবে
  • স্বাক্ষর: এরপর প্রয়োজন হবে শিক্ষার্থীদের স্বাক্ষর। অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যাতে পরবর্তীতে সে স্বাক্ষর দিতে পারে। স্বাক্ষর অবশ্যই মনে রাখতে হবে। 
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: যে শিক্ষার্থী অনলাইনে উপবৃত্তির জন্য আবেদন করবে সে কোন ক্লাসে পড়ের সেটা উল্ল্যেখ করতে হবে। 
  • জন্মসনদ: শিক্ষার্থীদের জন্মসনদ এর প্রয়োজন হবে। জন্মসনদের ১৭ ডিজিটের নাম্বারটির প্রয়োজন হবে এবং আবেদন পত্রে উল্ল্যেখ করতে হবে। 
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুপারিশপত্র: যে শিক্ষার্থী উপবৃত্তির জন্য আবেদন করবে সে কি আসলেই দরিদ্র কিনা অর্থাৎ সে শিক্ষার্তী উপবৃত্তির জন্য যোগ্য কিনা সেটার প্রমাণ-স্বরুপ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটি সুপারিশপত্র লাগবে। 
  • অভিভাবক প্রত্যয়ন পত্র: শিক্ষার্থীর বাবা অথবা মা যদি সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানে তৃতীয় অথবা চতুর্থ পদে কর্মরত থাকে তাহলে সে প্রতিষ্ঠান কতৃক প্রত্যয়ন পত্র এর প্রয়োজন হবে। 
  • অভিবাবকের জাতীয় পরিচয় পত্র নাম্বার: শিক্ষার্থীর বাবা এবং মায়ের জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার এর প্রয়োজন হবে। আবেদন ফরম পূরণ করার সময় উল্ল্যেখ করতে হবে। 
  • ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর: উপবৃত্তির টাকা গ্রহন করার জন্য একটি বৈধ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অথবা মোবাইল ব্যাংকিং এর প্রয়োজন হবে। মোবাইল ব্যাংকিং এর ক্ষেত্রে সাধারণত বিকাশ বা নগদ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আবার শিক্ষার্থীরা চাইলে পিতা এবং মাতার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নাম্বারও যুক্ত করতে পারবে। সেক্ষেত্রে পিতা অথবা মাতার নিজ জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা থাকতে হবে।

উপরে উল্ল্যেখিত সব কিছু আবেদন পত্রে উল্ল্যেখ করতে হবে। ফরম পুরণ করার পর সে ফরম টি স্কুল বা কলেজের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। এরপর যাচাই বাছাই এর মাধ্যমে উপবৃত্তি দেওয়া হবে। অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে ০১ টা মোবাইল নাম্বার দিয়ে শুধু মাত্র একজন শিক্ষার্থীর জন্য আবেদন করা যাব

উপবৃত্তি আবেদন অনলাইন ফরম

দারিদ্র্য এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি উপবৃত্তির জন্য আবেদন করার সময় নিচের কিছু নিয়ম অনুসরন করুন।

  • প্রথমে শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট থেকে উপবৃত্তির আবেদন ফরম ডাউনলোদ করুন।
  • করা আবেদন ফরমটি প্রিন্ট করুন
  • আবেদন ফরম টি ০৪ পাতার থাকবে। সঠিক তথ্য দিয়ে পূরন করুন
  • আপনার ফরম পূরণ করা শেষ হলে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে জমা দিয়ে আসুন। এরপর অপেক্ষা করুন তালিকা প্রকাশের সময় পর্যন্ত। 
  • এরপর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ফরম গুলো উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকিট জমা করে দিবে। 

ফরম ডাউনলোড করুন

যেসব শিক্ষার্থী উপবৃত্তির আবেদন করতে পারবে

আমাদের আর্টিকেলের এই পর্যায়ে আমরা জানবো যেসব শিক্ষার্থী উপবৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবে তাদের সে সম্পর্কে। বাংলাদেশ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বাছাই করার পরে তালিকা প্রকাশ করা হবে। আবেদন করার সময় কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে। যেগুলো এদিক সেদিক হলে কোন শিক্ষার্থী উপবৃত্তির জন্য সিলেক্ট হবে না।  উপবৃত্তির জন্য স্কুল অথবা কলেজের ষষ্ঠ এবং একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরাই শুধুমাত্র আবেদন করতে পারবে। আবেদন করার সময় যে যে জিনিস দেখা হয় সেগুলো নিচে উল্ল্যেখ করা হলো:  

  • শুরুতে আবেদনকারীর অভিভাবকের বাৎসরিক ইনকাম দেখা হয়ে থাকে। যদি বাৎসরিক ইনকাম ১ লক্ষ টাকার কম হয়ে থাকে তাহলে সেক্ষত্রে উপযুক্ত প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। অন্যথায় বাতিল হবে। 
  • আবেদনকারীর মা-বাবার মোট সম্পত্তির পরিমাণ দেখা হয়। যদি মেট্রোপলিটন এলাকায় জায়গার পরিমান ০.০৫ শতাংশ হয় অথবা মেট্রোপলিটন এর বাহিরে ০.৭৫ শতাংশ হলে অথবা এর নিচে থাকলে সে উপযুক্ত প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হবে।
  • আবেদনকারী যদি কোন সরকারী উপবৃত্তি আগে থেকে পেয়ে থাকে অথবা অভিভাবক যদি সরকারি কোন ভাতা পেয়ে থাকে তাহলে সে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। 
  • কোন আবেদনকারী যদি পঞ্চম শ্রেণী অথবা অষ্টম শ্রেণীতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক সরকারি বৃত্তি ট্যালেন্টপুল অথবা সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্ত হয়ে থাকে তাহলে সে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। 

সরকারি উপবৃত্তির জন্য সাধারণত প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্বাচন করা হয়ে থাকে। কারণ সেসব এলাকা গুলোতে দরিদ্র শিক্ষার্থীর পরিমান বেশি হয়ে থাকে। কোন আবেদনকারী উপবৃত্তির জন্য বিবেচিত হয়েছে কিনা সেটা ১ থেকে ২ মাসের মধ্যে জানতে পারবে। বিবেচিত হলে মোবাইলে এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। সে শিক্ষার্থীকে আর সে প্রতিষ্ঠানে বেতন দিতে হবে না। তার পড়ালেখার যাবতীয় খরচ সরকার বহন করবে।

উপবৃত্তির অর্থের পরিমাণ

বাংলাদেশ সরকার কতৃক ২০১২ সালে উপবৃত্তি চালু করা হয়েছে। তখন প্রথম অবস্থায় প্রাইমারি লেভেলের শিক্ষার্থীর জন্য ১৫০ টাকা করে বরাদ্দ ছিলো। পরবর্তীতে সেটি ১৫০ টাকায় বরাদ্দ করা হয়েছে। আবার একই পরিবারে দুইজন শিক্ষার্থী থাকে তাহলে দুইজনই সমান পরিমান টাকা পাবে। 

এরপর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৫,০০০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবং উচ্চ মাধ্যমিক বা কলেজ পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের জন্য ৮,০০০ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশুনা ঠিক মত চালিয়ে যেতে পারে না। সেসব শিক্ষার্থীরা চাইলে উপবৃত্তির মাধ্যমে তাদের পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারে।

আমাদের শেষ কথা

আশা করি আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনারা জানতে পেরেছেন কীভাবে অনলাইনে উপবৃত্তির আবেদন করা যায়। অনলাইনে উপবৃত্তির আবেদন করার নিয়ম ২০২৪ সম্পর্কে ছিলো আমাদের আজকের এই আর্টিকেল। আমাদের আর্টিকেলের কোথাও না বুঝলে আমাদের কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। অনলাইনে উপবৃত্তির আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কে আরো কিছু জানার থাকলে আমাদের কমেন্ট করুন। আমরা আপনার সমস্যা সমাধান করে দেওয়ার চেষ্টা করব ইনশা-আল্লাহ।

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম ২০২৪

খালি পেটে রসুন খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছি। আর যারা নিয়মিত আমাদের সাথে থাকেন তাদের ভালো থাকারই কথা। কারণ এইখান থেকে আমরা প্রতিনিয়ত অনেক অজানা বিষয়গুলো জানতে ও শিখতে পারি। 

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম ২০২৪, অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম

আজকের পোষ্টে আপনাদের দেখাবো কীভাবে অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটবেন। এখন টিকিট কাটতে আপনাকে কাউন্টারে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবেনা, ঘরে বসেই আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত ট্রেনের টিকিট কাটতে পারবে। আমি আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে দেখাবো কীভাবে অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটবেন। তাহলে চলুন শুরু করা যাক আজকের পোস্ট।

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার সাইট 

  • পনার ফোন থেকে যেকোনো একটি ব্রাউজার খুলুন।
  • সার্চবারে ক্লিক করে টাইপ করুন Railway Ticket
  • সার্চ করার পর প্রথমে আসা লিংকের উপরে ক্লিক করুন।
How-To-Buy-Train-Ticket-In-Bangladesh-scaled-অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম ২০২৩  Online Train Ticket Booking Bd

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার জন্য সরাসরি ক্লিক করুন-অনলাইনে ট্রেনের টিকিট

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম

  • ওয়েবসাইট আসার পর উপর থেকে 3 Dot মেনুতে ক্লিক করুন।
  • তারপর রেজিস্ট্রারে ক্লিক করে প্রয়জনীয় তথ্য , আপনার মোবাইল নাম্বার,আইডি কার্ডের নাম্বার এবং জন্ম তারিখটি দিন।ক্যাপচা ভেরিফাই করতে I am not Robiot  এ ক্লিক করুন।
  • এরপর পরের পেইজে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য লিখুন এবং পাসওয়ার্ড সেট করুন একাউন্টের জন্য।
  • এরপর রেজিষ্ট্রেশন কম্পিলিট করুন।
  • কম্পিলিট রেজিষ্ট্রেনে ক্লিক করার পর আপনার মোবাইলে একটি OTP যাবে সেটি দিয়ে কন্টিনিউ তে ক্লিক করুন।

একাউন্ট করা হয়ে গেলে নিচের মত দেখতে পাবেন,

এরপর From অর্থ্যাৎ কোন স্টেশন থেকে আপনি যাবেন তা দিন এবং To তে কোথায় যাবেন সেটা দিন ও কোন তারিখে যেতে চান তা সিলেক্ট করুন এবং সর্বশেষ কোন ক্লাসে যাবেন তা সিলেক্ট করুন।

এরপর এইরকম দেখতে পাবেন, 

How-To-Buy-Train-Ticket-In-Bangladesh-scaled-অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম ২০২৩  Online Train Ticket Booking Bd

এবার কোন ট্রেনে যেতে পারবেন সেই ট্রেনের নামগুলা দেখতে পাবেন এবং সময়টাও,তো আপনার সুবিধা হবে যেসময় সেই ট্রেনের টিকিট আছে এমন Book Now এ ক্লিক করুন।

How-To-Buy-Train-Ticket-In-Bangladesh-scaled-অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম ২০২৩  Online Train Ticket Booking Bd

এবার কোন বগীতে যাবেন তা সিলেক্ট করুন

সিট সিলেক্ট করে একদম নিচে চলে আসুন পেমেন্ট করার জন্য Continue Purchase এ ক্লিক করুন

বিকাশ বা যে মাধ্যমে পেমেন্ট করবেন তা সিলেক্ট করে Proceed To Payment এ ক্লিক করুন

পেমেন্ট করা হয়ে গেলে আপনার টিকিট প্রিন্ট করে ফেলুন বা স্ক্রিনশর্ট নিয়ে রাখুন। এখানে সমস্ত তথ্য দেওয়া আছে ট্রেনের নাম + কোন স্টেশন থেকে কোন স্টেশন যাবেন। আপনার বগী নাম এবং সিট নাম্বার এবং কোন তারিখে ভ্রমণ করবেন সে বিষয়ে।

এভাবে আপনারা খুব সহজে ঘরে বসে ট্রেনের টিকিট কাটতে পারবেন।

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটা নিয়ে শেষ কথা

আজকের পোস্টের মাধ্যমে আপনাদের শিখাইলাম কীভাবে অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটতে হয়। আশা করি বুঝতে পেরেছে কিভাবে অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটতে হয়। অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটা নিয়ে আপনাদের কোন প্রশ্ন থাকলে তা কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের বলুন, আমরা সাহয্য করবো।